চকরিয়ায় ঘুর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে উড়েগেছে হাজিয়ান আদর্শ বিদ্যালয়ের ছাউনি, আসবাবপত্র ও শিক্ষা সামগ্রী। এতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিদ্যালয়টি। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাজিয়ান এলাকায় প্রতিষ্টা লাভ করে বিগত ২০২১ সালে।
বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে নার্সারী ও প্রথম শ্রেণী থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান চলে। এতে শিক্ষার্থী রয়েছে অন্তত ৪শতাধিক।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হাজিয়ান আদর্শ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ফলে কাকারা, ফাসিয়াখালী, পৌরসভার অংশসহ আশপাশের প্রায় ৫/৬টি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা অর্জনের সুযোগসহ ঝড়েপড়া রোধ হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তৈয়ব জানান, গত মঙ্গরবার রাতে ঘুর্ণিঝড় হামুনের আকর্ষ্মিক আঘাতে তীব্র ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যালয়ের টিনশেট পাকা ঘরের ছাউনী ও বাড়ান্ডা উড়ে গিয়ে লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে।
এছাড়াও বিদ্যালয়ে রক্ষিত বই, কাগজপত্র, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, বৈদ্যুতিক পাকা ও সরঞ্জাম, আসবাবপত্র সহ বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এতে অন্তত দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। হামুনের তান্ডবে পাঠদানের পরিবেশও নষ্ট হয়ে গেছে।
বিদ্যালয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠদানের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা খুবই প্রয়োজন।এজন্য জনপ্রতিনিধিগন, প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আবু হুরাইরা ও সাধারণ সম্পাদক আবু ফয়েজ রিপন জানান, এলাকার শিক্ষানুরাগী যুব সমাজকে সাথে নিয়ে আমরা এলাকার শিক্ষা বিস্তারে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
প্রায় ১৭০ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট টিনসেট পাকা বিদ্যালয় ঘরটি করলেও ঘুর্ণিঝড় হামুনের বাতাশের তীব্রতায় মুহুর্তেই ছাউনে উড়ে গিয়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাঙ্গনে অতিশীঘ্রই শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে। এজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।







