কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী ১৪২৯ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৩১ মে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম কিবরিয়া ভূ্ঁইয়ার সভাপতিত্বে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব প্রফেসর সোমেশ্বর চক্রবর্তী।
বিশেষ আলোচক ও আবৃত্তি পরিবেশনায় ছিলেন কক্সবাজারের কৃতি সন্তান, থিয়েটার একটিভিস্ট, শব্দায়ন আবৃত্তি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জসিম উদ্দিন বকুল।
অনুষ্ঠানের প্রথমার্ধে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে মুল আলোচনা পর্ব শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম গিয়াস উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর সুকুমার দত্ত।
প্রধান আলোচক প্রফেসর সোমেশ্বর চক্রবর্তী তাঁর বক্তব্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর জীবন ঘনিষ্ঠ কিছু অজানা তথ্য সহ বহু মুল্যবান কথার ঝুড়ি উপহার দেন নতুন প্রজন্মকে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের সেরা দশ জাতির এক জাতিতে রুপান্তরিত হবে।
কক্সবাজারের অন্যতম আবৃত্তিশিল্পী জসিম উদ্দিন বকুল তাঁর আবৃত্তি – আলোচনায় মোহনীয় করে রাখেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী তথা উপস্থিত সকলকে।
বক্তারা বলেন, যেখানে শিল্প-সাহিত্য চর্চা হয় সেখানে সৃজনশীল জনশক্তি তৈরি হয়। যুগে যুগে কালে কালে কবি-সাহিত্যিকরা যুগ সংস্কারের কাজ করেছেন। বর্তমান সমাজে নতুন প্রজন্মের কাছে এই চর্চার প্রসার ঘটাতে এই ধরনের অনুষ্ঠান আরো বেশি বেশি আয়োজনের আহবান জানান অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে শিক্ষকদের মধ্য সংগীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তি করেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক অরুণ রতণ সাহা, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আদিল ইলাহি এবং আইন বিভাগের শিক্ষক নাজিয়া আক্তার।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংগীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তি করেন সুস্মিতা পাল তমা ও রোকসানা আক্তার সুমি।
দুই পর্বের এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক তামান্না নওরীন আজম।







