ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে সোমবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল ৫ টা থেকে মহেশখালীতে প্রবল বৃষ্টি ও বাতাস শুরু হয়েছে। সেই সাথে স্থানীয় নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত তিন-চার ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।
৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষণার পর থেকে মহেশখালীর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।
সিত্রাংয়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় সাগরের বিশাল ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে সোনাদিয়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা এলাকায়। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় অধিবাসিদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মহেশখালী পৌর এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেয়র মকছুদ মিয়া।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ৯৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
এর মধ্যে উপজেলার কুতুবজোম, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
সিপিপি মহেশখালীর স্বেচ্ছাসেবক দল প্রচার-প্রচারণা ও লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে।
অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।
এই ঝড়ে দেশের ১৩ জেলায় ক্ষতির আশঙ্কা বেশি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারও। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলের দিকেই এগিয়ে আসছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইছে, হচ্ছে প্রচুর বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ এখন বাংলাদেশের উপকূল থেকে ১৪৩ কিলোমিটার দূরে আছে। আর কেন্দ্রস্থল আছে ৪০০ কিলোমিটার দূরে।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’র অগ্রভাগ আজ সোমবার সন্ধ্যায় দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানবে। এর কেন্দ্র আঘাত করবে আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায়।







