ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে কক্সবাজারে সমুদ্র এখন অনেক উত্তাল। বড় বড় ঢেউ সজোরে আছড়ে পড়ছে কূলে। কক্সবাজার কলাতলী পয়েন্টে নোনাপানি চলে আসছে রাস্তার প্রায় পাশে।

এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের দিকে আরও এগিয়ে এসেছে। এটি এখন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এর প্রভাব সোমবার ভোর থেকে বৃষ্টি হয়েছে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায়।
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে সোমবার সকালে উপকূলীয় ১৩ জেলায় ৭ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছে। জেলাসমূহ হলো— সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=pfbid022f2oZ6u2yZc7hpEoepYiLPzV1JQ29q1rhRTDLewh9qRbXdcr7sum9AezqpqwiHHbl&id=100003107345037
এসব জেলা ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৮ ফুট বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর সমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীবন্দরে ৩ নম্বর নৌ-বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, ‘এটা এখনো ঘূর্ণিঝড় অবস্থাতেই আছে। আমরা তিন ঘণ্টা পর পর আপডেট দেব। আমাদের হাতে এখনো ২০ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা সময় আছে। উপকূল অতিক্রম করার সময় গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।’







