পর্যটন স্পটের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: ১. নিরাপত্তার শৃংখলা বিধান করা এবং ২. হোটেল-মটেলের ভিতরে ও বাইরে, রাস্তাঘাটে চিটারমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।
এ দুটো বিষয়ে অনমনীয় আইনের-প্রয়োগ দেখাতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন হোটেল-মটেলের ব্যবস্থাপক, হোটেলের অন্যান্য স্টাফ, পুলিশ রিক্সা-টমটম-সিএনজি ড্রাইভার প্রভৃতির নিবিড় প্রশিক্ষণ।
এ ক্ষেত্রে সরকারী আইনের ধারনা সংশ্লিষ্টদের অবগত করানো এবং সকলকে সরকারের জেন্ডার পলিসি পরিস্কার করে বুঝানো আবশ্যক। মনে রাখা দরকার, মাথাভর্তি সামন্ত-সংস্কৃতি পোষণ করে পর্যটন ব্যবসা চলে না। এ ব্যবসা বুর্জোয়া সমাজের মুক্তচিন্তা লালনকারীদের ব্যবসা।
এটা একটা মনোরঞ্জনমূলক ও সেবামূলক ব্যবসা, পকেট লোপাটের ব্যবসা নয়। মাস্তানের উৎপাত নির্মূল করে ও সকলের আচরণ পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ব্যবসার উন্নয়ন সম্ভব।
আরেকটি বিষয়, কক্সবাজারে প্রকাশ্যভাবে দেখতে পাওয়া যায় এমন কোনো মানি একচেঞ্জ দোকান কি আছে যাতে বিদেশী পর্যটক ডলার/বৈদেশিক মুদ্রা ভাঙ্গাতে পারে? তাহলে বিদেশী পর্যটক কামনা করবে কিসের জোরে?
তাই বিদেশী পর্যটকদেরকে হরহামেশাই দালালের আশ্রয় নিতে হয়। কলকাতার মতো একটা শহরে পানের দোকানের মতো প্রকাশ্য মানি একচেঞ্জের দোকান দেখতে পাওয়া যায়।
পর্যটন নিয়ে ইতিবাচক প্রপাগান্ডা ভালো, কিন্তু তার অন্তর্নিহিত শৃংখলা-বিধান ব্যতিরেকে তার উন্নতি নিয়ে সংশয় দূর হয় না।







