কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের লালজানপাড়া এলাকায় লবণ মাঠে পানি দেওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডার জেরে হামলায় ৩ নারীসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার (২০ জানুয়ারী) দুপুর ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
আহতরা হলেন-রাজাখালী ইউনিয়নের লালজানপাড়ার মৃত হাজী এজাহারের ছেলে খোরশেদ আলম (৩০), তার মা আয়েশা খাতুন (৭০), টইটং ইউনিয়নের শেরআলী মাষ্টার পাড়ার আবুল হোসেন (৬০), আবুল হোসেনের স্ত্রী জুনুয়ারা বেগম (৫০), ছেলে শাহাব উদ্দিন (৪২) ও রায়বাপেরপাড়ার রেজাউল করিমের স্ত্রী বুলুয়ারা বেগম (৩০)।
আহতদের মধ্যে খোরশেদ আলম, তার ভাগিনা শাহাব উদ্দিন ও তার মা আয়েশা বেগমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ( চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছে কর্তব্যরত চিকিৎসক।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও আহতদের পরিবার সদস্যদের অভিযোগে জানা গেছে, লবণ মাঠ নিয়ে রাজাখালী ইউনিয়নে লালজানপাড়ায় হাজী মৃত এজাহারের ছেলে খোরশেদ আলমদের সাথে একই এলাকার বজল আহমদের ছেলে একাধিক মামলার আসামী জকির আলম গংদের মধ্যে সম্প্রতি সময়ে বিরোধ দেখা দেয়। এরই জেরধরে শুক্রবার দিন দুপুরে লবণ মাঠে পানি দেওয়া নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এরই একপর্যায়ে বজল আহমদের ছেলে জকির আলম তার ভাই মাহাবুব, জাফর আলম, নবীর হোসেন ও নবীর হোসেনের দুই ছেলে জাহাঙ্গীর, আজমগীরসহ ৮/১০ জনের দুবৃর্ত্তরা লবণ মাঠ মালিক খোরশেদ আলমের লোকজনের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় খোরশেদ আলমসহ তার পক্ষের ৩ নারী ও ৩ পুরুষ আহত হন।
এলাকাবাসী জানান, জকির আলম একজন দাগী অপরাধী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আহত লবণ মাঠ মালিক খোরশেদ আলম জানান, লবণ মাঠ এলাকায় বাড়িতে এখানে আমি একা থাকি। আমার কয়েক ভাই থাকে প্রবাসে। ঘটনার সময় আমাকে প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়। হামলা থেকে উদ্ধার করতে এসে আমার মা, বড়বোন, ভগ্নিপতি, ভাগিনাসহ নিকট ৬ জন আত্মীয় স্বজনকে তারা পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। আমরা এব্যাপারে মামলা করবো।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) ওমর হায়দার বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ##







