কক্সবাজারের পেকুয়ায় জায়গার বিরোধে এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পিতা পুত্রকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ ওঠেছে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা নন্দীরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন নন্দীরপাড়া এলাকার শামসুল আলম (৬৫),তার দু’ছেলে নুরুল কাদের ও নুরুন্নবী। এদের মধ্যে নুরুন্নবীর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আহত শামসুল আলম বলেন,ছেলে নুরুল কাদেরের খরিদা জায়গা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে জয়নাল আবেদীন প্রকাশ বাদশাহ মিয়া গংয়ের। তারা জোর করে জায়গা জবর দখল করতে তৎপরতা চালায়। জমিতে মাটি ভরাট করার কাজ চলছিল। রাতে ইউপি সদস্য আবু ছালেকের নেতৃত্বে আল মাহমুদ তার ভাই বাবুল হক,বাদশাহ মিয়া তার ছেলে আব্দু রহিম, শফিউল আলম,বদিউল আলমসহ ৮/১০ জনের একদল লোক ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত নুরুন্নবী বলেন,জায়গা আমার ভাইয়ের। আদালতের ১৪৪ ধারার প্রতিবেদন ভাইয়ের অনুকূলে। পুলিশ এসে বাদশাহ মিয়া গংয়ের নিষেধ করেছে। দু’দিন আগে ইউপি সদস্য আবু ছালেক এসে আব্দুল কাদেরকে দু’পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসতে বলে। আদালতে মামলা চলমান থাকায় তারা সাড়া দেয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হন মেম্বার। পরে প্রতিপক্ষের সাথে হাত মিলিয়ে আমাদের ওপর নিষ্টুরভাবে হামলা চালাতে সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় বুলবুল আক্তার,ছাদেকা বেগম,কালা বদা,মাহবু বেগম ও নুর আহমদ বলেন,অন্যায়ভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আইনের লোক হয়ে মেম্বার নিজেই হামলায় অংশ নিয়েছে। মেম্বার বাদশাহ মিয়ার পক্ষে ভাড়াটে হিসেবে কাজ করেছে।
ইউপি সদস্য আবু ছালেক বলেন,এটা মিথ্যা অপবাদ। আমি নিজেই মারপিট থামাতে চেষ্টা করেছি। আপনারা প্রয়োজনে এলাকায় গিয়ে যাচাই করুন।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)ওমর হায়দার বলেন,এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







