কক্সবাজারে আলোচিত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ৮ম দফায় দ্বিতীয় দিন মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামের জেরা মুলতবি করা হয়েছে।
মংগলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেল সোয়া পাঁচটায় তদন্ত কারী কর্মকর্তার জেরা অসমাপ্ত রেখে সিনহা হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম আজ মুলতবি ঘোষণা করেন আদালত।
মংগলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমালের আদালতে দ্বিতীয় দিনের মতো জেরা শুরু হয়। সারাদিনই বরখাস্ত ওসি প্রদীপের পক্ষে তার আইনজীবী এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত তদন্ত কারী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামকে জেরা করেন।
সোমবার তদন্ত কারী কর্মকর্তা আদালতে জবানবন্দি দিয়ে তার জেরা অসমাপ্ত ছিল।
বুধবারও তাকে এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত জেরা করবেন বলে জানান মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।
এডভোকেট ফরিদ আলম জানান, এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষী হচ্ছে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা। এটি একটি সেনসেটিভ এবং চাঞ্চল্যকর মামলা। আসামি পক্ষের আইনজীবীগন তদন্ত কারী কর্মকর্তাকে ধীরে সুস্থে জেরা করছেন। তিনি জানান আজ মংগলবার সারাদিন মামলার মুল তদন্তকারি কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের আইনজীবী এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত জেরা করেন। বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে তার জেরা অসমাপ্ত রেখে আদালত মুলতবি ঘোষণা করেন।
বুধবার সকালে আবারও মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তার অসমাপ্ত জেরা শুরু করা হবে। এর পরে এই মামলায় আসামি হওয়া পুলিশের তিন সোর্স পক্ষের আইনজীবীবৃন্দ জেরা করবেন।
ইতোপূর্বে এই মামলায় আদালতে ৬৪ জন স্বাক্ষী দিয়েছেন। এএসপি খাইরুল ইসলাম এই মামলার ৬৫ তম স্বাক্ষী দিচ্ছেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯ টায় ওসি প্রদীপ সহ এই মামলার ১৫ জন আসামিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।







