প্রায় দেড় বছর পর রোববার (১৪ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা।
এবার সব বিষয়ের পরীক্ষা হচ্ছে না। শুধু বিভাগভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ইত্যাদি) তিনটি বিষয়ে সময় ও নম্বর কমিয়ে এই পরীক্ষা হচ্ছে। রোববার (১৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রে প্রবেশ করেন পরীক্ষার্থীরা।
এরপর সকাল দশটায় পরীক্ষা আরম্ভ হয়। প্রথম দিন পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয় এবারের এসএসসি পরীক্ষা। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছর এসএসসিতে অংশ নিচ্ছে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী। তবে ভিন্ন পরিস্থিতিতে এবারের পরীক্ষাও হচ্ছে ভিন্নভাবে।
শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ১২২ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যেখানে গতবছর ছিল ১৯৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯০ জন পরীক্ষার্থী। যা গতবারের চেয়ে ১৭ হাজার ৩২ জন বেশি।
উল্লেখ্য, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৭টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ১২২ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। যেখানে গতবছর ছিল ১৯৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯০ জন পরীক্ষার্থী। যা গতবারের চেয়ে ১৭ হাজার ৩২ জন বেশি।
তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এবারের পরীক্ষা নেয়া হবে সংক্ষিপ্ত আকারে এবং শুধুমাত্র তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর।
সেইসঙ্গে প্রতি বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরের এবং পরীক্ষার সময়ও হবে অর্ধেক। অর্থাৎ তিন ঘন্টার পরীক্ষা দেড় ঘন্টায় নেওয়া হবে। কিন্তু এই বিষয়গুলোর প্রশ্নপত্র হবে আগের নিয়মে।
একইসঙ্গে ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয়ের যে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না সেসব বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের জেএসসি ও নবম শ্রেণির ফল মূল্যায়ন করা হবে।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় আবশ্যিক বিষয়সমূহ যেমন বাংলা, ইংরেজি, গণিত, আইসিটি, ধর্ম এবং চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। করোনা কারণে এ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া না হলেও এসব বিষয়ের ওপর সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করে এসাইনমেন্ট নেওয়া হয়েছিল।







