স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক রাখা তথা সম্ভাব্য যেকোন পরিস্থিতি দমনে দ্রুত পুলিশী কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বদরখালীতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালে এখানে নৌ-পুলিশের একটি ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে এটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
ঠিক কি কারণে এটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে, তা জানা না-গেলেও ফাঁড়ির স্থায়ী কোন জায়গা না-থাকায়, তা প্রত্যাহার করে নেয়া হতে পারে বলে স্থানীয় সচেতন মহল অভিমত ব্যক্ত করেন।
সম্প্রতি বিষয়টি স্থানীয় দায়ীত্বশীল ব্যক্তি বর্গকে বেশ ভাবিয়ে তোলার পর আবার শুরু হয় ফাঁড়ি কিংবা তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া।
জানা গেছ যে- একটি তদন্ত কেন্দ্রে স্থাপনের জন্য এক একর জায়গা প্রয়োজন হয়। স্থানীয় বদরখালী সমবায় কৃষি উপনিবেশ সমিতি এই পরিমাণ জায়গা দেয়ার জন্য সম্মত হয়েছে।
তদন্ত কেন্দ্রের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন- স্থাণীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতিক, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফখরুল ইসলাম, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এস.এম. রকীব উর রাজা ও চকিরয়া থানার ও.সি. শেখ মোহাম্মদ আলী এবং ইউপি চেয়ারম্যান নূরে হোছাইন আরিফ।
সংশ্লিষ্ট দায়ীত্বশীল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে পুলিশ বিভাগের নামে দাতা সংস্থা কর্তৃক প্রয়োজনীয় জমি রেজিষ্ট্রি দেয়া সাপেক্ষে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে।
চকো/জে







