এক ‘ফাও মাতব্বরের’ ছুরিকাঘাতে ফার্নিসার দোকানের কর্মচারী খুন হয়েছে চকরিয়ার বেতুয়া বাজারে।
২৫ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে চকলিয়া উপজেলার ভেওলা মানিকচর ইউনিয়নের বেতুয়া বাজারে।ছরিকাঘাতে নিহতের নাম শেফায়েত হাবিব(১৭)।
তার বাড়ী পুর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের কালাগাজী সিকদার পাড়া গ্রামে এবং তিনি স্থাণীয় শাহাব উদ্দিনের পুত্র।
এ ব্যপারে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আই.সি. মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে আলাপকালে জানা যায়- নিহত শেফায়েত কবির বেতুয়া বাজারস্থ জনৈক মোঃ মিজান নামক এক কার্পেন্টার মেস্ত্রির দোকানের কর্মচারী। কয়েকদিন পুর্বে তার একটি মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়।
সরেজমিনে তদন্তকালে জানা যায়, উক্ত মোবাইল ফোনটি তার কর্মস্থলের আরেক কর্মচারী সাকিবুল হাসান চুরি করেছে মর্মে তার সন্দেহ হয়। এনিয়ে দু’জনের মধ্যে বেশ কয়েকদিন নানা কটু কথা-বার্তা এবং মনোমালিন্য চলছিল। এক পর্যায়ে সেটি প্রমাণিত না হওয়ায় দোকান মালিক এবং অন্যান্যদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধা হয়ে যায়।
কিন্তু ঘটনার দিন আবারো শেফায়েত কবির এ বিষয়ে সাকিবুল হাসানকে নানা কথা-বার্তা বলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে উভয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে যায়।
এ মুহুর্তে দোকানের বাইরে অবস্থান করা স্থানীয় আবু বক্করের পুত্র তারিকুল ইসলাম মিশু উভয়কে ঝগড়া থামাতে বলে। এতে শেফায়েত কবির আরো বেশি উত্তেজিত হয়ে গেলে তারিকুল ইসলাম মিশু দৌড়ে গিয়ে কোন এক জায়গা থেকে ছুরি নিয়ে এসে শেফায়েত কবিরকে তলপেটে ছুরিকাঘাত করে। এতে শেফায়েত কবির মাটিতে লুঠে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তৎক্ষণাৎ তাকে ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক শেফায়েত কবিরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পথিমধ্যে রোগীর মৃত্যু হয়।
চকরিয়া থানার ও.সি. জাবেদ মাহমুদ জানান ঘাতক তারিকুল ইসলাম মিশুকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ কাজ করছে।







