শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র-এঁর তিন পৌত্র ও এক প্র-পৌত্র কক্সবাজার আসছেন।
এদের মধ্যে রয়েছেন প্রিয়পরম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের অধ্যক্ষ ও শ্রীশ্রীঠাকুর পৌত্র পূজনীয় বিদ্যুৎরঞ্জন চক্রবর্তী, শ্রীশ্রীঠাকুর পৌত্র পূজনীয় ড. বুদ্ধদেব চক্রবর্তী, পূজনীয় বিনায়ক চক্রবর্তী ও প্র-পৌত্র বৌধায়ন চক্রবর্তী।
২ জুন (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে কক্সবাজার পৌঁছানোর কথা রয়েছে শ্রীশ্রীঠাকুরের পৌত্র ও প্র-পৌত্রদের। এদিন বিকাল ৫টায় শহরের গোলদিঘীর পাড়স্থ সৎসঙ্গ মন্দিরে পদাপর্ন করবেন ঠাকুর পরিবারের পূজনীয় ব্যক্তিরা।
এরপর জেলা সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশন, বিভিন্ন শাখা সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁদের বরণ করার কথা রয়েছে। পরে সন্ধ্যায় সমবেত বিনতি প্রার্থনা এবং বিশ^জননীয় মাতা মনোমোহিনী দেবীর ১৪৯তম জন্মজয়ন্তী উৎসবের নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শ্রীশ্রীঠাকুরের বংশানুস্রোতা এই চার রেত:বাহী সন্তান।
এছাড়া পরের দিন ৩ জুন (শুক্রবার) বিশে^র মঙ্গল কামনায় সমবেত প্রার্থনায়ও অংশ নেয়ার কথা রয়েছে শ্রীশ্রীঠাকুরের বংশানুস্রোতা এই চার রেত:বাহী সন্তানের।
এদিকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র-এঁর তিন পৌত্র ও এক প্র-পৌত্র কক্সবাজার আগমনকে কেন্দ্র করে সৎসঙ্গীসহ সনাতনী সম্প্রদায়ের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
প্রিয়পরম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ চন্দন কান্তি দাশ জানান, শ্রীশ্রীঠাকুরের বংশানুস্রোতা এই চার রেত:বাহী সন্তানের একসাথে কক্সবাজার আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের।
পূজনীয় দাদাদের আগমনকে সফল করতে সকল ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলেও জানান তারা।







