কক্সবাজারের পেকুয়ায় অবশেষে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) তদন্ত কানন সরকারের উপর হামলাকারী ইয়াবা সম্রাট শাহ আলম প্রকাশ মুছ শাহ আলমকে সহযোগীসহ আটক করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুন) ভোর ৫ টায় পেকুয়া থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) মিন্নত আলী নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মগনামার ফুলতলা স্টেশন থেকে হামকাকারী ইয়াবা কারবারি ও বহু মামলার আসামী শাহ আলম প্রকাশ মুছ শাহ আলমকে সহযোগী পারভেছকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ শ ৩০ বড়ি ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, উজানটিয়া ইউনিয়নের পেকুয়ার চর রূপোর গোদা এলাকার আলী হোসেন ছেলে ও একই এলাকার বদিউল আলমের ছেলে পারভেছ।
এ বিষয়ে এস আই মিন্নত আলী জানান,তারা স্থান পরিবর্তন করে ভোরে মগনামা ফুলতলা স্টেশনে অবস্থানের বিষয় জানতে পেরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে ইয়াবাসহ আটক করি।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ ফরহাদ আলী আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ধৃতদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে পুলিশ পরিদর্শক কানন সরকারের উপর হামলাকারী মাদক কারবারিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পেকুয়া থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পেকুয়ার সচেতন মহল।
উল্লেখ যে, বুধবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পেকুয়ার চর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার আলী হোসেনের পুত্র চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাহ আলম প্রকাশ মুছ শাহ আলমকে আটক করতে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক কানন সরকারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়।
এসময় বন্ধ ঘরের দরজায় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী শাহ আলম ও তার সহোদর বদিউল আলম অতর্কিত ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীদের দায়ের কোপে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকারের মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়।
এ ঘটনায় পেকুয়া থানার এস আই মোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে মুছ শাহআলমকে প্রধান আসামী করে ৬ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক আরো ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী দেখিয়ে একটি মামলা রুজু করে। যার নং ৬/২২। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় এজাহার নামীয় প্রধান আসামি সহ ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।







