কক্সবাজারের পেকুয়ায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে ৪ সহোদরের বসতঘর পুঁড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে।
আজ বুধবার (১৮জানুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের হিরাবুনিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এদিকে বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুর্বিতা চাকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহেদুল ইসলাম, টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, ইউপি সদস্য মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন, মহিলা সদস্য আয়েশা মুনাফা।
প্রত্যক্ষদর্শী মো.সোহেল, আহমদ ছফা ও মোঃ জুবাইর বলেন, দুপুরের দিকে হিরাবুনিয়া এলাকার মৃত.ছৈয়দ নুরের ছেলে আবদুল গফুরের বাড়িতে আগুন লাগে। এ সময় আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে তার ভাই নাছির উদ্দিন, আব্দুর রহিম ও আবদুর রহমানের বাড়িতে আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতা ভয়াবহ হওয়ায় স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পেকুয়া ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই চারটি বাড়িই সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ট্রলি ও মিশুক গাড়ি চালিয়ে সংসার চালায়। তারা এখন নিঃস্ব হয়ে গেছে।
আব্দুর রহমান বলেন, বড় ভাই আবদুল গফুরের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আমাদের বাড়িতেও। এতে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, ধান ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে দাবী করেন তিনি।
পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার শোয়াইব মুন্সী বলেন,খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুর্বিতা চাকমা বলেন,ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তাৎক্ষণিক শুকনো, রান্না করা খাবার ও শীতবস্ত্র দিয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।







