কক্সবাজারে পেকুয়ায় জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার বরাদ্দ নিয়ে যুবলীগ নেতার বসতঘরের রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে পেকুয়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়রা জানান, দক্ষিণ মেহেরনামা মোরার পাড়ার জনগুরুত্বপূর্ণ নুরুল উলুম মাদ্রাসার পূর্ব পাশের সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন তারা।
প্রতিদিন প্রায় কয়েকশতাধিক মানুষ চলাচল করে এই রাস্তা দিয়ে৷ এই রাস্তাটি সংস্কার এই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল দীর্ঘদিন ধরে যার ফলে সম্প্রতি সড়কটির সাবেক মেম্বার জাকারিয়ার বাড়ি থেকে সাহাব উদ্দিন সওদাগরের বাড়ি পর্যন্ত এইচবিবি দ্বারা উন্নয়ন করতে ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি।
ইতিমধ্যে সড়কটির সংস্কার কাজও শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে সড়কটির সামান্য অংশ সংস্কার করে বাকি অংশ কাজ না করে এই নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে স্থানীয় যুবলীগের ওয়ার্ড সভাপতি বাড়ির ব্যক্তিগত সড়কটিতে ইট বসিয়েছে এলজিইডি অফিস।
এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার বরাদ্দ দিয়ে একজনের ব্যক্তিগত সড়কের নির্মাণ কাজ করেছেন যেটি অত্যন্ত দুঃখজনক শুধু তাই নয় ইঞ্জিনিয়ার রাতারাতি স্টিমিট পরিবর্তন করে আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সামান্য কাজ করে তিনি বাকি ইট যুবলীগ নেতার বাড়ির রাস্তাতে বসিয়েছেন।
তিনি সরকারের বরাদ্দ দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারের ব্যক্তিস্বার্থে আরেকজনের ব্যক্তিগত রাস্তার কাজ করতে পারেন কিনা প্রশ্ন করেন।
এই ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন, শাহাবুদ্দিন সওদাগর, বদিউল আলম বলেন, আমরা এই রাস্তার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারিনা সারা বছর কাদায় ভর্তি থাকে আমাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে সমস্যা হয় কিন্তু দীর্ঘদিন পর ইট বসানো উদ্যোগ নিয়েছে সরকার তাতেও আমাদের দুঃখ ঘুচেনি এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার নাকি এস্টিমিট পরিবর্তন করে আমাদের রাস্তার আগে থেকে ভালো সামান্য অংশের কাজ করে বাকি কাজ একজন নেতার বাড়ির রাস্তাতে করে দিয়েছেন। আমরা এই রাস্তার সঠিক কাজের তদন্ত চাই। তারা এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপও কামনা করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী লুতফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগকারীরা আমার অফিসে এসেছিলেন আমিও ওই রাস্তায় সরেজমিনে গিয়েছিলাম কিন্ত আমি এখানে স্টিমিট দেখিনি তাদেরকে কাল অফিসে আসতে বলেছি এস্টিমিট দেখে বলতে পারবো আসলে কি হয়েছে।







