কক্সবাজারের পেকুয়ায় চাঞ্চল্যকর নাছির উদ্দিন হত্যাকান্ডে পেকুয়া থানায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার( ১ নভেম্বর) রাতে নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম বাদি হয়ে টইটং ইউপির বদু মিয়া হাজীর পাড়া এলাকার মুজাফফর আহমদের ছেলে আসহাব উদ্দিনকে প্রধান আসামী করে একটি হত্যা মামলার দায়ের করেন। যার মামলার নং (০১/২২)।
উক্ত হত্যা মামলায় অন্য আসামীরা হলেন,একই এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মোজাফফর আহমদ,আসহাব উদ্দিনের স্ত্রী আসমাউল হুসনা, ছাবের আহমদের ছেলে আবুল কালাম, বটতলী স্কুল পাড়া এলাকার মৃত উকিল আহমদের ছেলে আবদুল জলিল, মোজাফফর আহমদের মেয়ে হাজেরা খাতুন, মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে শাকের হোছেন,ছাবের আহমদের ছেলে জাহেদুল ইসলাম সহ ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলার পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসহাব উদ্দিনের স্ত্রী আসমাউল হুসনাকে গ্রেফতার করে।
এদিকে মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে স্থানীয় শত শত নারী পুরুষ টইটং বাজার সহ আশেপাশে এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে।
এছাড়াও এএসপি তৌফিকুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
উল্লেখ ৩০ অক্টোবর (রবিবার) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের পন্ডিত পাড়াস্থ নতুন রাস্তা দিয়ে আসার পথে নাছির উদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করে। মারাত্মকভাবে জখম অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাসির উদ্দিনকে লাইফ কেয়ার হসপিটালের নিয়ে গেলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত নাছির উদ্দিন টইটং ইউপির পন্ডিত পাড়া এলাকার মৃত আবুল হোছেনের ছেলে।
পেকুয়া থানা পুলিশ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজ উদ্দিন বলেন, নিহত নাছির উদ্দিনের স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ পত্র দিলে সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। আসমাউল হোসনা নামের মামলার এক নারী আসামিকে আজ (বুধবার) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।







