পূজার আমেজকে সম্প্রীতি ও আনন্দ উৎসবে পরিণত করতে নগরীর পূজামন্ডপ গুলোতে ডিজে পার্টি না করা এবং আতশবাজি না ফোটানোর নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর।
নগরীর ২৭৭টি দুর্গাপূজার মন্ডপে নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবে বলেন তিনি। ৭ অক্টোবর, (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সিএমপি কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকের তিনি এসব কথা বলেন।
পূজামন্ডপে মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে সিএমপি কমিশনার বলেন, করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজামন্ডপে প্রবেশ করতে হবে। পাশাপাশি মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। মাস্ক ছাড়া কেউ মন্ডপে প্রবেশ করতে পারবে না। দর্শনার্থীরা পূজামন্ডপে জটলা তৈরি করবেন না ।
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে। পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য আলাদা আলাদা লাইনে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো বিষয় সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা যেকোনো মাধ্যমে ছড়ানো গুজবে কান না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।
ব্যাপক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে সিএমপির এই মুখপাত্র বলেন, দুর্গাপূজা থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যবেক্ষণ করবে সিএমপি।
পূজার নিরাপত্তার জন্য একাধিক মন্ডপে ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা বসানো হবে। র্যাব-পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে সাদা পোশাকের পুলিশও।







