ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় নগরির ছয় এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
সারাদেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৮৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টার এ পরিসংখ্যান জানিয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় ডেঙ্গু সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে এ তালিকা প্রকাশ করেন।
এদিকে চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালি, বাকলিয়া, বায়েজিদ বোস্তামী, বন্দর, পাহাড়তলী ও খুলশীকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে গত আটই অক্টোবর প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়।
চট্টগ্রামে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার বেড়ে যায়।
এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসেই শহরের ২৩টি এলাকায় মোট ৫১৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ রেড জোন হিসেবে তালিকাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে কোতোয়ালিতে সর্বোচ্চ ১০৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।
এছাড়া বাকলিয়ায় ১০৩ জন, বায়েজিদ বোস্তামীতে ৭৬ জন, বন্দরে ৩৩ জন, পাহাড়তলীতে ৩২ জন এবং খুলশীতে ২৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
একইসাথে সংক্রমণের মাঝারি উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে এমন পাঁচটি এলাকাকে ‘ইয়েলো জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মৃদু ঝুঁকি রয়েছে এরকম সাতটি এলাকাকে ‘ব্লু জোন’ এবং ডেঙ্গু আক্রান্তে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শহরের চারটি এলাকাকে ‘গ্রিন জোনে’ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এমন রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ৪০৫ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে তিন হাজার ৪৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।
তাদের মধ্যে ঢাকায় আছেন এক হাজার ৭২৩ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭৭২ জন।







