কক্সবাজার উপকূলে ট্রলার থেকে হাত-পা বাঁধা ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ‘নতুন মোড়’ নিয়েছে। ওই সময় ৪ জনের মরদেহ শনাক্তের জন্য সংগ্রহ করা ডিএনএর নমুনা মিলেনি স্বজনদের সঙ্গে। তবে নিখোঁজ কয়েকজনের স্বজনদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা তিনজনের সঙ্গে ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে।
শনিবার (৮ জুলাই) পুলিশের হাতে আসা ডিএনএ রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর থানার উপ-পরিদর্শক দুর্জন বিশ্বাস জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ৬ জনের মরদেহ শনাক্ত হয়েছিল। বাকি ৪ জনের মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করলেও সন্দেহ থাকায় ডিএনএর জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু তাদের সঙ্গে ডিএনএ মিলেনি। ওই সময় আরও কয়েকজনের ডিএনএ স্যাম্পল নেয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। যাদের বাড়ি মহেশখালীতে। কিন্তু তাৎক্ষণিক ওই ৩ জনের নাম ঠিকানা জানা যায় নি।
যাদের স্বজনের সঙ্গে ডিএনএ মিলেনি তারা হলেন— মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), সাহাব মিয়ার পুত্র সাইফুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ আলীর পুত্র পারভেজ মোশাররফ (১৪) এবং চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৩৪)।







