কক্সবাজারের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনে গণপূর্ত বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে স্থাপিত দেড় শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপসচিব) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ এর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
আবু জাফর রাশেদ জানান, কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন সমুদ্র সৈকত আবাসিক এলাকার ব্লক এ এবং ব্লক বি এর মধ্যবর্তী গণপূর্তের মালিকানাধীন মাঠে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গণপূর্তের মালিকানাধীন মাঠে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দেড় শতাধিক দোকান ভেঙ্গে দেয়া হয়।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার জানান, কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই জায়গার মালিক কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগ এবং গণপূর্ত বিভাগের নামে বিএস খতিয়ান এবং গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
জনৈক গিয়াস উদ্দিন গং এর ক্ষতিপূরণের টাকা পায় নাই মর্মে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তার প্রতিবেদনে দেখা যায়, গিয়াস উদ্দিন গং এর ক্ষতিপূরণ বাবদ সব অর্থ পেয়েছিলেন।
২০১৮ সালে গণপূর্ত বিভাগ এই মাঠ প্রকল্পের কাজ শুরু করলে গিয়াস উদ্দিন গং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বিরুদ্ধে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আবেদন করেন। আদালত তার আবেদন খারিজ করে দেন।
এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে উক্ত গিয়াস উদ্দিন গংহাইকোর্টে আপীল করেন। এতে গণপূর্তের প্রকল্প কাজের উপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞ দেন।
গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট এর আদেশে কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে চলমান মূল মামলাটি বাতিল করে দেন।
ফলে উচ্ছেদ করতে আইনগত কোন বাধা নেই। এর প্রেক্ষিতে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান তিনি।







