# নববধু উধাও, তার স্থলে ছোটবোন।
# কমিউনিটি সেন্টারে খাওয়ানো হয় ৩০০ বরযাত্রী।
# সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে রশি টানাটানি।
বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করে বউ ঘরে তুলবে ঠিক সেই মূহুর্তে ঘটে এক বিরাট কান্ড।
গত ২৫ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী হাজী এ.ছালাম কমিউনিটি সেন্টারে ছিল এই বিয়ে।
বর মোহাম্মদ হোবাইব মাতারবাড়ী ইউপির ৯নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ কামালের পুত্র এবং নববধু একই ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের মোহম্মদ ইসহাকের মেয়ে।
বরপক্ষের এক ব্যক্তি জানান, জুলাই মাসের শুরুতে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের দিন ঠিক করেন ২৫ জুলাই। আগের দিন দু’পরিবারে হয় জাঁকজমকপূর্ণ গায়ে হলুদ। সবকিছু ঠিকটাক চলছিলো।
বিয়ের দিন দুপুর থেকে বরযাত্রীরা কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করে বাড়ি ফিরে যায়। শুধুমাত্র শেষ মূহুর্তের আনুষ্ঠানিকতা ছিল বাকি।
কাজী সাহেব সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই নববধু চিৎকার দিয়ে বলে উঠে এ বিয়েতে তার সম্মতি নেই। ঠিক সেই মূহুর্তে বরও পাল্টা জবাব দিয়ে তার অসম্মতি জানায়।
শেষমেশ নববধুকে ছাড়াই ঘরে ফিরতে হয়েছে কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে করতে আসা আগত বর ও বরযাত্রীদের।
বর মোহাম্মদ হোবাইব জানান, সবকিছু ঠিকটাক হচ্ছিলো। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আক্বদ্ কাবিন হওয়ার মূহুর্তে খবর আসে আসনে নববধু নেই, তার স্থানে বসে আছে নববধুর ছোটবোন। তাৎক্ষণিক খবরটি জানাজানি হলে বরপক্ষ নববধুকে হাজির করতে বলেন।
অনেক চেষ্টা করে মেয়েটিকে হাজির করতে না পারায় বাড়ি ফিরে যায়। তিনি আরো বলেন, এমন হবে জেনেও কনেপক্ষের উচিত হয়নি আমাদের অসম্মান করার। এটির বিচার চাইবো।
বিয়েটি হওয়ার সম্ভবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এবিষয়ে পরিবার যেটা সিদ্ধান্ত দিবেন, সেটাই হবে এবং এতে আমার সম্মতি থাকবে।
নববধুর পিতা জানান, গায়ে হলুদের দিন সকালে বর মেয়েকে কল করে বিশ হাজার টাকা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে ঐদিন মেয়েকে বেশ চিন্তিত দেখাচ্ছিল। একপর্যায়ে টেনশনে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
বরপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলে তারা বুঝতে গুরুত্ব দেয়নি। তারা হুটহাট করে গুজব রটানোতে এ অবস্থা হয়েছে।
তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু হায়দার উভয়পক্ষকে চারদিনের ভিতর সমঝোতায় আসতে সময় বেঁধে দেন।







