মহেশখালী উপজেলার ২টি ইউনিয়ন বড় মহেশখালী ও কালারমাছড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ভ্যান রিকশা, সিএনজিতে ডিজিটাল সামগ্রী ব্যবহার করে মাইকিং চলছে শহর কিংবা গ্রামে।
দেশের জনপ্রিয় গানগুলোর সুর ও সংগীত মিল রেখে পাল্টে ফেলেছেন কথাগুলো। প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনায় ব্যবহার করা হচ্ছে জনপ্রিয় এসব গানের সুর।
অনেকে আবার মেলোডি মিউজিক ব্যবহার করে উচ্চশব্দে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে যেমন শব্দ দূষণ হচ্ছে, তেমনি বিরক্ত হচ্ছেন ভোটাররা। পাল্লা দিয়ে এক পথে কয়েকজন প্রার্থীর মাইকিংয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন জনসাধারণ।
মাইকিং দেখলে রাস্তায় বের হওয়া পথচারীরা কান চেপে ধরে দূরে সরে যাচ্ছেন।
আগামী ১৫ জুন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এই দুই ইউনিয়ন জুড়ে চলছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো উপজেলা জুড়ে দোকান পাট, হাট বাজার, শপিং মলে চায়ের চুমুকে চলছে বুদ্ধিজীবির কথার ঝড়।
বিভিন্ন এলাকায় ইউপি সদস্য (চেয়ারম্যান, সাধারণ মেম্বার, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার) প্রার্থীদের পক্ষে দুপুর থেকে শুরু করে রাত আটটা-নয়টা পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইকিং চলছে। দিনভর মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ উপজেলাবাসী।
পরীক্ষার্থীদের সমস্যার কথা ভেবে মাইকিং বন্ধ অথবা সীমিত করার দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
প্রার্থীরা ভ্যান রিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে মাইক লাগিয়ে প্রচারণামূলক গান ও শ্লোগান প্রচার করছেন। এসব ভ্রাম্যমাণ মাইকের লাগাতার শব্দে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থী ও আসন্ন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা।
নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারকাজে একটি ওয়ার্ডে একের অধিক মাইক ও নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বৃদ্ধি করে এমন অন্য কোনো যন্ত্রের ব্যবহার করা যাবে না।
বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মাইকিং করে প্রচারণা চালানোর নিয়ম থাকলেও, সেটি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা।
বড় মহেশখালী ও কালারমারছড়ার এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা বলেন, রাত সাড়ে আটটা-নয়টা পর্যন্ত মাইকে প্রচারণা চলতে থাকে।
বিকট শব্দের কারণে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় মন বসাতে পারছে না। এভাবে দিনরাত মাইক বাজানোর কারণে পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের সমস্যার কথা ভেবে প্রার্থীদের মাইকিং বন্ধ অথবা সীমিত করার দাবি জানান তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন,
নাভারন বাজারের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক গান বাজিয়ে প্রচারণা বিরক্ত লাগে।
উচ্চশব্দে বাচ্চারা পড়ালেখা করতে পারে না। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব দেখা উচিত প্রশাসনের।







