কক্সবাজারের পেকুয়ায় সাবেক যুবদল নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭মে) বিকেলে পেকুয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গ্রেফতার করে।
আটক বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরী শিলখালী ইউনিয়নের মৃত ডা. মনিরুজ্জামানের ছেলে বলে জানা গেছে। তিনি বর্তমানে শিলখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। যদিও কক্সবাজার জেলা আ’লীগ ঔ কমিটি বাতিল ঘোষণা করেছেন।
গত ২২মে শিলখালীতে ইউপিতে বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে মোশারফ নামের এক যুবককে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করা হয়।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরীসহ চার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন আহতের বড় ভাই শফিউল আলম। শুক্রবার সেই মামলার ৪নং আসামি বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল শিলখালী ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে শিলখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আসাদুজ্জামান চৌধুরীকে সভাপতি নির্বাচিত করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তৈরি হয় তুমুল বিতর্ক।
এছাড়াও দলের ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হলে পরদিন ২৩ এপ্রিল দুপুরে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান কমিটি টি বাতিল বলে নিশ্চিত করেন।
দলের ত্যাগী নেতারা জানান, আসাদুজ্জামান চৌধুরী একজন বিএনপি নেতা। তিনি দীর্ঘদিন শিলখালী ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু সম্প্রতি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতাকে ম্যানেজ করে পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতির পদ ভাগিয়ে নেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের মত সংগঠনে এ রকম শীর্ষ পদে আসীন হওয়ায় শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। শুরু হয় বহুমুখী বিতর্ক। ফেসবুকেও উঠে সমালোচনার ঝড়।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান চৌধুরীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।







