মানবিক সংকটের ওপর সংবাদ পরিবেশনের সময় নৈতিকতার মানদন্ড বজায় রাখা ও সেই মানবিক সংকট অবসানে অবদান রাখাই প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ মনে করেন আলোচকরা।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ‘মানবিক সাংবাদিকতা’ বিষয়ক এক কর্মশালায় এই মন্তব্য করেন আলোচকরা। কর্মশালায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়েও জোর দেয়া হয়।
জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে কর্মরত কক্সবাজারের সাংবাদিকদের জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন, পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ৩০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহায়তা ওয়ার্ল্ড ভিশন’র পক্ষে কর্মশালাটি আয়োজন করে এক্সপোজার কমিউনিকেশন।
কর্মশালায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর এবং কর্মশালা উদ্বোধন করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন’র বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স (বিআরসিআর)-এর অফিস ইন-চার্জ আব্দুল মোক্তাদির।
সাংবাদিক শিয়াবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ভিশন’র ড. মাখন লাল দত্ত, মো. রজব আলী ও মো.আব্দুল বারেক।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন’র সুমন ফ্রান্সিস গোমেজ ও হেনিরি রায় উপস্থিত ছিলেন।
ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের ময়দান থেকে সরাসরি সংবাদ সংগ্রহকারী একমাত্র বাংলাদেশি সাংবাদিক আনিস আলমগীর কর্মশালায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন, যেকোন মানবিক সংকট অবসানে অবদান রাখাই যেন সে বিষয়ে সংবাদ প্রচারের প্রধান উদ্দেশ্য হয়।
যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের ওপর রিপোর্টিংয়ের সময় সাংবাদিকের নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “জীবনের চেয়ে কোনও কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কোনও সংবাদের জন্যই নিজেদের জীবনকে সংকটাপন্ন করবেন না।
তিনি যে কোনও পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে মানবিক সংকটের ওপর সংবাদ পরিবেশনের সময় নৈতিকতার মানদন্ড বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালায় রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব নিরসনে ওয়ার্ল্ড ভিশন যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে তা তুলে ধরেন মো. আব্দুল বারেক।







