চকরিয়া পৌরসভার বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ সবুজবাগ এলাকায় পানি চলাচলের একমাত্র নালা দখলে নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি নিজের বাড়ির জন্য রাস্তা তৈরী করার অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থার কারণে সবুজবাগ ও আশপাশ এলাকার হাজারো পরিবার বর্ষাকালে পানিবন্দি অবস্থায় দুর্ভোগের সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার সবুজ বাগের এই নালা দিয়ে পৌর শহরের সমিতি মার্কেট, রূপালী শপিং কমপ্লেক্স, দুলাল সেন্টারসহ ১০টি মার্কেট ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ময়লা আবর্জনা, হাসপাতাল পাড়া, খোদারকুম ও সবুজবাগ আবাসিক এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য মাতামুহুরি নদীতে সংযুক্ত। এটি বন্ধ হলে, সরকারি হাসপাতাল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মহিলা কলেজ, কোরক বিদ্যাপীঠ ও ফায়ার সার্ভিস সহ পুরো এলাকার অন্তত ৫ হাজার মানুষ বর্ষার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার মারাত্মক আশংকা রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান ; শতবছর ধরে এই নালাটি ছোট একটা নদীর মতো ছিলো। শহরের ময়লা আবর্জনা এই নালা হয়ে নদীতে পতিত হতো। কিন্তু সবুজবাগ এলাকায় দিন দিন দালানকোঠা বৃদ্ধি হওয়ায় নালাটি সংকীর্ণ হয়ে আসছে। তবে নালাটি দখল করে যে রাস্তা তৈরী করবে কিংবা পানি চলাচল বন্ধ করবে এটা ভাবিনি।
এই নালাটি সহজে যেনো কারও চোখে না পড়ে সেজন্য কালো পলিথিন ও টিন দিয়ে ঘেরাও করে দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা।
চকরিয়া পৌর শহরের সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক আবুল মনসুর মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ড্রেনের কিছু অংশ ভরাট করার সময় আমিসহ এলাকাবাসী বাঁধা দিয়েছিলাম। তখন অভিযুক্ত রাসেল নামের ওই ব্যক্তি বলেছিল তিনমাসের মধ্যে ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করে, উপরে পাটাতন দিয়ে পুরো ড্রেন সংস্কার করে দিবে। সে তা না করে উল্টো পুরো নালা বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে পৌরসভার সবুজবাগ ও আশপাশ এলাকার হাজারো পরিবার বর্ষার পানিতে নিমজ্জিত হবে। আশা করি চকরিয়া পৌর কতৃপক্ষ এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
বিষয়টি প্রসঙ্গে চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, পানি চলাচলের গতিপথ দখলে নিয়ে রাস্তা তৈরির ঘটনাটি একটি নিন্দনীয় কাজ। ইতোমধ্যে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টির আলোকে সমাধান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চকো/জে







