কক্সবাজারের চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি পরিবারের ছয়টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে মুল্যবান আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও মালামাল পুড়ে গিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই দিনমজুর শ্রমিক শ্রেণির বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম।
গতকাল রোববার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীরচর এলাকার নুরুল আলম বাবুর্চির বসতবাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে একটি বসতঘর থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। মুহুর্তে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুব অল্প সময়ে ৬টি টিনসেড ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলে ওই এলাকার আরও বসতি বড়ধরণের ক্ষতিসাধন থেকে রক্ষা পায়।
চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে স্থানীয় নুরুল আমিন , আব্দুল হামিদ, মোহাম্মদ বাচ্চু, মিজানুর রহমান, ও মোঃ ছোটনের ৬ টি বসতঘর এবং ঘরের আসবাবপত্র কাপড়চোপড় ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা পরিবারগুলো দিনমজুর ও শ্রমিক শ্রেণির। সর্বস্ব হারিয়ে তাঁরা এখন নিঃস্ব। একেকটি পরিবারে গড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.ফখরুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে তাৎক্ষণিক ৬ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৮টি শীতের কম্বল দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে তাদের জন্য সরকারি সাহায্য নিশ্চিতে জেলা প্রশাসনের কাছে জানানো হবে।
চকো/জে







