শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপনের হার
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • যোগাযোগ
No Result
View All Result
চকোরী—Daily Chakori
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়
No Result
View All Result
চকোরী—Daily Chakori
No Result
View All Result

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়

-প্রফেসর এ কে এম গিয়াসউদ্দিন by -প্রফেসর এ কে এম গিয়াসউদ্দিন
বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১
0 0
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়
0
SHARES
316
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি হলো এ বছর। আর গেল বছর পূর্তি হলো এই রাষ্ট্রের ¯স্রষ্টা, বাঙালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধ বাঙালীর বাঁধভাঙ্গা আবেগ আর উচ্ছ্বাসের দুটি শব্দ মাত্রই নয়। এর সাথে জুড়ে আছে বাঙালীর স্পধিত সাহস, অদম্য ইতিহাস আর তার নিরন্তর অহঙ্কারে পথচলার প্রেরণা।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের ছিল অনন্য ক্যারিসম্যাটিক দিক। যিনি শিল্পীর ন্যায় আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব চিত্র রূপায়ন করেছেন। শিল্পী যেমন একের পর এক তুলির আঁচড় দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরী করেন। ঠিক তেমনি রাজনীতিকে তিনি নিয়ে গিয়েছেন শিল্পের পর্যায়ে। টুঙ্গিপাড়ার অজপাড়াগায়ে জন্ম নেয়া মুজিব হয়ে উঠেন বাঙালীর মুক্তির দিশারী। তিনি তার মেধা মনন কর্ম দিয়ে গোটা বাঙালীকে ঐক্যবদ্ধ করে নিয়ে যান মুক্তির ঠিকানায়। একজন নিরস্ত্র মুজিব পাকিস্তানী প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনীকে পরাস্ত করে এনে দেন বাঙালীর বহুল প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা। মাত্র নয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে একটি চৌকস বাহিনীকে পরাস্ত করা সম্ভব হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর বহুমাত্রিক নেতৃত্বের গুণে। বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধে এদেশের দামাল ছেলেদের জানবাজী করে লড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও রয়েছে বড় ভূমিকা। এ আলোচনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার উপর আলোকপাত করতে হল।

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ছিল প্রত্যক্ষ। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি শারণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়। শরণার্থীর চাপে ভারত ছিল ন্যুব্জ। তদুপরি ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলেও সরকার ছিল সাবধানী ভূমিকায়। ১৯৭১ সালের জুন মাস থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা প্রশিক্ষণ নেয়া শুরু করলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তখন ভারত খুব একটা আত্মপ্রত্যয়ী ছিল- এমন বলা যায় না। তবে এই বছরের ৯ আগস্ট বিশ বছরের জন্য ভারত- সোভিয়েত ইউনিয়ন শান্তি, মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভারত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। এ চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানকে জানিয়ে দেওয়া হলো যে, যুদ্ধ শুরু হলে তাকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বৈরিতার মুখে পড়তে হবে। চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের জন্যও ছিল বিশেষ বার্তাবহ। এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর ভারত সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বেছে নেওয়ার ব্যাপারে বেশ আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠে।
অক্টোবর মাসে ভারত ঘোষণা করে- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শরণার্থী সমস্যার আশু সমাধান না করলে সে যুদ্ধের মাধ্যমে সমাধান করতে বাধ্য হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিভঙ্গী যাচাইয়ের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। কিন্তু ফিরে আসেন এ ধারণা নিয়ে যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সন্তোষজনক রাজনৈতিক সমাধানের জন্য উদ্যোগী হবে না। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ প্রলম্বিত হলে বামপন্থী চেতনায় প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল প্রবল। বলা বাহুল্য এমন সম্ভাবনা সঙ্গত কারণে ভারতের তৎকালীন সরকারের জন্য ছিল অনভিপ্রেত। সুতরাং সামরিক সমাধানের মাধ্যমে প্রলম্বিত মুক্তিযুদ্ধের ইতি ঘটানো ছিল ইন্দ্রিরা গান্ধী সরকারের কাম্য।

মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন সরকার পাকিস্তানের পক্ষে থাকলেও মার্কিন জনগণ ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। সে সময়কার মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্চার কে ব্লাড পাকবাহিনীর নৃসংশতা দেখে ক্ষুব্ধ হন। উনিশ জন কূটনীতিকের স্বাক্ষরসহ স্টেট ডিপার্টমেন্টকে তিনি একটি কড়া চিটি লিখেছিলেন। এটিকে কূটনৈতিক জগতে সবচেয়ে কঠিন ভাষায় লেখা চিটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি এটিকে ‘বাছাই করে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন। ২৮ মার্চ মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে পাঠানো বার্তায় ব্লাড লেখেন- ‘পাকিস্তানি বাহিনি একটি ভূখন্ডকে কিভাবে বিভীষিকাময় ও সন্ত্রাসী জনপদে পরিণত করেছে তার প্রত্যক্ষদর্শী আমরা।’ তিনি আরও জানান, ‘সেনাবাহিনির আক্রমণের মুখে শহর থেকে অসংখ্য মানুষ গ্রামে যেতে বাধ্য্ হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে এ আক্রমণের খবর পৌঁছে গেলে স্বায়ত্বশাসনের আকাঙক্ষা স্বাধীনতায় রূপান্তরিত হবে। পাকিস্তানি সেনারা বাঙালী জাতিকে দুই মাস, ছয় মাস বা এক বছর পদানত করে রাখতে পারে। কিন্তু একটি সমগ্র জনগোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন সামরিক শক্তি যে দমিয়ে রাখতে পারবে না ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার তীক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।’ ৬ এপ্রিল পাঠানো এক দীর্ঘ টেলিগ্রামে আর্চার কে ব্লাড হত্যাকান্ড বন্ধে ইয়াহিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। নিক্সন বা কিসিঞ্জার কেউ তার কথা শোনেননি। বরং দ্রুত ব্লাডকে ওয়াশিংটনে তলব করে কূটনৈতিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাম্প করা হয়।

আর্চার ব্লাড অবরুদ্ধ ঢাকায় থেকেও কিভাবে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছিলেন তার স্বীকৃতি পাওয়া যায় Knight Ridder Newspaper সাংবাদিক জোসেফ এল গ্যালওয়ের লেখায়। ‘পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক এটি প্রমাণ করতে পাকিস্তান সরকার কয়েকজন বিদেশী সাংবাদিককে ঢাকায় নিয়ে আসে। সেনা কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক প্রহরা সত্ত্বেও সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন, তা ছিল ভীতিকর। পাকিস্তান সরকার দেখাতে চেয়েছিল হিন্দুরা অবাঙালী মুসলমানদের [বিহারী] নির্বিচারে হত্যা করেছে। কিন্তু বিদেশী সাংবাদিকরা দেখেন সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। গোটা ভূখন্ড জুড়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি করেছে। জনগণ শঙ্কিত ও সন্ত্রস্ত। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে পাকিস্তানি সরকার তাদের দ্রুত বিমানে তুলে দেয়। জুসেফ গ্যালওয়ে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে মার্কিন কনস্যুলেটে গিয়ে আশ্রয় নেন। তিনি ব্লাডকে জিজ্ঞাসা করেন প্রকৃত অবস্থা কি? জবাবে ব্লাড বলেন ‘ওয়াশিংটনের নির্দেশে তাঁর মুখ বন্ধ।’ তারপর ব্লাড তাকে একটি রুম দেখিয়ে বলেন, ‘এটি তোমার, যতদিন প্রয়োজন থাকতে পারো। কনস্যুলেট অফিসের যেসব বাঙালি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে তারা তাদের কাহিনী বলবে।’ এরপর গ্যালওয়ে লেখেন, বহু নারী পুরুষ এসে আমাকে জানান কীভাবে তাদের বাবা-মা এমনকি শিশুদের হত্যা করেছে পাকিস্তানি সৈন্যরা। কেবল ঢাকায় নয়, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামেও গণহত্যা হয়েছে। বিমানে ওঠার সময়ে আমার একটি কথাই মনে হতে থাকে- আতঙ্ক, আগুন ও তলোয়ারই কেবল পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে একত্রিত রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিপাবলিকান দলের রিচার্ড নিক্সন আর তাঁর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন হেনরি কিসিঞ্জার। তারা যে কোনো মূল্যে পাকিস্তান টিকিয়ে রাখার পক্ষে ছিলেন। এ কারণে ইয়াহিয়ার সামরিক অভিযানকে তাঁরা শেষ পর্যন্ত সমর্থন দিয়ে গেছেন। ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ফারল্যান্ড তাদের নীতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তাই তিনি ঠিকে গেছেন। কিন্তু পাক বাহিনির গণহত্যার প্রতিবাদ করায় এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর কারণে আর্চার কে ব্লাডকে শাস্তি পেতে হয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থান ছিল পরিস্কার। পক্ষান্তরে সেদেশের জনগণের অবস্থান ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। ওই সময় নিউয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে সমবেত হন ২০ হাজার মানুষ। ১৯৭১ সালের আগস্টের ১ তারিখ ম্যাডিসন স্কয়ারে রবি শংকর, মার্কিন বিটল তারকা জর্জ হ্যারিসন সহ অসংখ্য শিল্পীকে নিয়ে স্মরণকালের বৃহত্তম একটি কনসার্ট সারা পৃথিবীর বিবেককে নাড়িয়ে দেয়।

জর্জ হ্যারিসন লিখেছেন, ‘১ আগস্ট ১৯৭১। রোববার, বিকেল ও সন্ধ্যায় আমেরিকার ম্যডিসন স্কয়ারে বিশ হাজার মানুষ। আনন্দে-উত্তেজনায় সংরাগে-সংকটে দ্বন্দ্বে-দহনে ফুটছে। ‘আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করে বেঁচে থাকতে চাই শুধু উদ্দেশ্যের মহত্তের কারণে নয়, শুধু সাঙ্গীতিক উচ্চ মার্গতার বলে নয়, শুধু সমকালীন তোলপাড় করা সঙ্গীত শিল্পীদের সম্মিলনের জন্য্ নয়- মানুষের প্রতি মানুষের সহমর্মিতার জন্যই এ সংগীত অনুষ্ঠান পৃথিবীর বুকে অমর হয়ে থাকবে।

পিন পতন নিস্তবদ্ধাতার মধ্যে রবি শংকর শুরু করলেন। তিনি ধরলেন ধ্র্রপদি রক- বাংলাদেশ ধুন। ‘পৃথিবীর অনেক অনেক সঙ্গীত আসরে গেছি। দেখেছি কনসার্ট মানে চিৎকার আর উম্মাতাল তারুণ্যের দু’কূল উপছানো উচ্ছ্বাস। কিন্তু আমার অর্জিত অভিজ্ঞতার বিপরীতে এরকম নৈশব্দ্যের আনন্দ, এ রকম মুখে নয় হৃদয়ে গমগম করা অনুভব কোনদিন দেখিনি। হয়তোবা দেখবোওনা কোনদিন। সংগীত যে অনুভব আর উপলব্ধির তা এই প্রথম আবিষ্কার করলাম।

মঞ্চে পর্দা নামলো। স্ক্রিনে নির্যাতিত অপুষ্ট বাংলাদেশের শিশুদের এক করুণ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ভেসে উঠলো। ১৯৪৭- ১৯৭১ মাত্র ২৩ বছরে একটি দেশের আশা-আকাঙ্ক্ষার কী নির্মম পরিণতি! আমরা বিদেশীরা তাদের স্বাধীনতা, তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ব্যাপারে কতটুকুইবা জানি। কিন্তু কঙ্কালসার বালকের সারি, এই বুলেটবিদ্ধ ঢাকার রাজপথ, এই বিধ্বস্ত চট্টগ্রাম, সার সার শরণার্থী, এ লাঞ্চিত মানবতা-আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেল। আমরাও যে মানুষ! আমার একবার ইচ্ছা হলো এই নিউয়র্কের এই স্তব্ধ সন্ধ্যা লন্ডভন্ড করে চিৎকার করে বলি, এই অত্যাচার বন্ধ কর ইয়াহিয়া খান।

এরপর আমি ‘ষাটের দশকের টান টান করা ব্যাথাতুর গানগুলোতে ডুবে গেলাম। আজকের এ সন্ধ্যার পর আমার কেন জানি মনে হল, সংগীতই মানবতার আসল ভাষা। ধন্যবাদ বাংলাদেশ আমার হৃদয়ের ভেতর থেকে বাংলাদেশ কথা বলে উঠলো। আমি গাইলাম:

My friend came to me we sadness in the eyes
Told me that he wanted help
Before his country dies
Although I could not feel the pain
I know I had to try
Now I am asking all of you
To help us save some lives
Bangladesh, Bangladesh, Bangladesh.

জনতা চিৎকার করলোনা, স্তব্ধ হয়েও রইলোনা, কাঁদল। হাঁ, আমার জীবনের সমস্ত অভিজ্ঞতা মিথ্যা প্রমাণ করে একটি উত্তাল, উন্মাতাল জনতাকে আমি ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখলাম। আমি জানিনা আমার গানটি অসাধারণ ছিল কি-না, জানিনা পৃথিবী কতোদিন ঠিকে থাকবে। এও জানিনা পৃথিবীতে কতোদিন সূর্য উঠবে, চন্দ্র হাসবে, কিন্তু আমার বিশ্বাস একটি দেশের প্রতি মানুষের এ ভালবাসা অশ্রু কোনোদিন পৃথিবী ভুলবেনা, কোনোদিনও না।’

পন্ডিত রবি শংকর আর জর্জ হ্যারিসন-এর ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন কনসার্টে জর্জ হ্যারিসন-এর বিবেক ছুঁয়ে যাওয়া গান ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ হয়েছিল তাৎক্ষণিক হিট। কনসার্টে উপস্থিত ছিলেন আরো পঁচিশজন শিল্পী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি অ্যালেন গিনসবার্গ শরণার্থীদের কষ্ট নিয়ে ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ নামে যে অসাধারণ কবিতাটি রচনা করেছেন, সেটি মানুষের মনে শিহরণসৃষ্টি করে। এই কবিতা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ও পাকিস্তান দখলদার বাহিনির বিরুদ্ধে অকাট্য দলিল হিসেবে প্রতিভাত হয়েছিল।

মার্কিন কংগ্রেসে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নয় মাস ব্যাপী বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলোচনা ও বিতর্ক হয়। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২১০টি বক্তৃতা হয়েছিল। ৪৫ জন সিনেটর ও ৩৬ জন প্রতিনিধি এ বক্তৃতাগুলো দিয়েছিলেন। সামগ্রিক বিবেচনায় এটি প্রমাণিত হয় যে, জনমতকে উপেক্ষা করেই মার্কিন নীতি নির্ধারিত হয়েছিল, এবং তা প্রয়োগ করা হয়েছিল। সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি মার্কিন সরকারকে শন্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে বলেছিলেন। কারণ মার্কিন সমরাস্ত্র দিয়েই গণহত্যা চলছিল। এছাড়া দশজন সিনেটর পাকিস্তানে আর্থিক ও সামরিক সাহায্য বন্ধ করে পূর্ব পাকিস্তানে ত্রাণ সামগ্রী পাঠাতে সুপারিশ করেন। তবে এডওয়ার্ড কেনেডিই নিক্সন প্রশাসনের কট্টর সমালোচক ছিলেন।

২৫ মার্চে গণহত্যা শুরুর পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। ১৯৭১ সালের ২২ মে অস্ট্রেলিয় প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ম্যাক সোহান সে দেশের সংসদে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাণহানিতে অবশ্যই আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আমি সংসদকে জানাতে পারি ঠিক কতটুকু আমরা দুঃখ প্রকাশ করতে পারি, বিশেষ করে আমরা উল্লেখ করছি যে, রক্তপাত ঘটেছে। কারণ সম্প্রতি পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানে নির্বাচন হয়েছে। আমরা অবশ্যই পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের বিবৃতিকে স্বাগতম জানাই যে যত দ্রুত সম্ভব তিনি বেসামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন। আমরা আশা করি আর কোনো প্রাণহানি ঘটবে না এবং আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করা হবে, ভদ্রভাবে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে।’
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্যাইথ ইলইয়ক ১৯৭১ সালের ২৪ মে এক বিবৃতিতে বলেন, নিউজিল্যান্ড পূর্ব পাকিস্তানের ট্র্যাজেডি বিষয়ে নিরব বা উদাসীন কোনোটাই নয়। পরিস্থিতির মানবিক দিক বিবেচনা করে তিনি দ্রুত রক্তপাত বন্ধ এবং আলাপ আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের প্রয়াস চালানোর আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধে ভুটানের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। ভুটানের পররাষ্ট্রনীতি ছিল ভারতের সমার্থক। ভুটানই প্রথম দেশ- যে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

বিখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আঁদ্রে মালরো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একদল সহযোদ্ধা নিয়ে বাংলাদেশের রণাঙ্গণে যুদ্ধ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে লেখা এক চিটিতে তিনি বলেন, ‘আপনার বিমানবাহী জাহাজ কলকাতাকে হুমকী দিতে সক্ষম হলেও যুক্তরাষ্ট্র ওইসব সমবেত মুক্তিকামী জনগণের বিরুদ্ধে কখনোই যুদ্ধ করে পেরে উঠবে না। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আপনার সেনাবাহিনি যেখানে ভিযেতনামে নগ্নপদ যোদ্ধাদের পরাজিত করতে ব্যর্থ, সেখানে কি আপনি বিশ্বাস করেন যে ১২০০ মাইল দূরে অবস্থিত একটি দেশের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে দিয়ে ইসলামাবাদের সেনাবাহিনী একটি দেশকে কোনোদিন দাবিয়ে রাখতে পারবে?’

প্রথম থেকেই পাকিস্তানি শাসকদের প্রতি ব্রিটিশ সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিকরা ছিলেন সন্দেহভাজন। কমনওয়েলথ এর সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে তারা পাকিস্তান সংকটের রাজনৈতিক সমাধান আশা করছিলেন। ৫ এপ্রিল ১৬০ জন কমন্স সভার সদস্য সমর্থিত একটি প্রস্তাবে পূর্ববঙ্গে ‘গৃহযুদ্ধ’ বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। ১৫ জুন স্টোনহাউস উত্থাপিত প্রস্তাবে পূর্ববঙ্গে গণহত্যার জন্য ইয়াহিয়া ও সামরিক নেতৃবৃন্দকে দায়ী করা হয়। প্রস্তাবটিতে তিনশ’র বেশি এমপি’র সমর্থন ছিল। এক্ষেত্রে তৎকালীন কমন্স সভার সদস্য লর্ড পিটার শোর-এর বিবৃতিটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি পাকিস্তান ভেঙ্গে গেছে। ভৌগলিকতায় যেমন তারা একহাজার মাইল দূরত্বে ছিল তেমনি তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষার দিক থেকেও সেই দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যকার বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে।’ ১ আগস্ট ট্রাফালগার স্কয়ারে অনুষ্ঠিত জনসভায় জন স্টোনহাউসসহ ছয় জন এমপি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিল।
আরব বিশ্ব যখন পাকিস্তানের পক্ষ নেয়, তখন ইসরায়েল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানায়। ওই সময় তাদের রেডক্রস বাঙালি মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের জন্য বেশ কিছু ওষুধ, কাপড় ও খাবার পাঠায়। ১৯৭২ সালের এপ্রিলে ইসরায়েল বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশ তাদের এই সহানুভূতি গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে।

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যারা ছিল: যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাখডাক না করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চরম বিরোধীতায় লিপ্ত হওয়ার পর তাদের প্রতিপক্ষ চীনও অভিন্ন পথে হাঁটা শুরু করে। চীন দ্ব্যর্থহীনভাবে পাকিস্তান সামরিক চক্রের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। মাওলানা ভাসানীর আকুল আবেদন সত্ত্বেও চীনা নীতির কোনো পরিবর্তন সাধিত হয়নি। বাঙালী নেতাদের অনেকে আশা করেছিলেন চীনের বোধোদয় হবে এবং বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তারা দাঁড়াবে। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। সেপ্টেম্বর মাসে চীন পাকিস্তানকে আশ্বস্ত করে যে, সে জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষায় পাকিস্তানকে সহায়তা করবে। একাত্তরের গ্রীস্মকাল থেকে চীন পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে নিয়মিত সমরাস্ত্র পাঠাতো। এ ছাড়াও গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্যে অক্টোবরে চীন ঢাকায় দু’শ জন সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার পতন হলে চীন এক বিবৃতিতে ‘তথাকথিত’ বাংলাদেশ সৃষ্টিতে রাশিয়া ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অধিকাংশ মুসলিম দেশের ভূমিকা ছিল বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিপক্ষে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার [ওআইসি] জেদ্দা অধিবেশনে জাতীয় সংহতি ও ভৌগলিক অখন্ডতা রক্ষায় পাকিস্তানের প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানানো হয়। অধিবেশন শেষে প্রকাশিত ইশতেহারে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করায় বিদেশী শক্তিসমূহকে কঠোর ভাষায় নিন্দা করা হয়। ইরান আরও একধাপ এগিয়ে পাকিস্তানের পাশাপাশি যুদ্ধ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। তবে এ সময় মিসরের ভূমিকা ছিল কূটনৈতিক বিবেচনাপ্রসূত। অপরদিকে কতিপয় আরব রাষ্ট্র পাকিস্তানকে শুধু সমর্থন জানিয়েইে ক্ষান্ত হয়নি, বরং সহযোগিতার নীতি অনুসরণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এক পর্যায়ে মার্কিন অস্ত্র পাকিস্তানে সরবরাহ করার ওপর কংগ্রেস নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু কতিপয় মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখে। যেমন সৌদি আরব এ সময় ৭৫টি জঙ্গি বিমান, হেলিকপ্টার, ট্যাংক ও সামরিকযান সরবরাহ করে।

আরব দেশ সমূহ মনে করত, বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ইসলামি বন্ধন ও ইসলামি সংহতি বিনষ্টের অপপ্রয়াস। পাকিস্তানি প্রচার ও পূর্ব পাকিস্তানে তথাকথিত ইসলামি সংগঠন সমূহের অপপ্রচারও ছিল অভিন্ন। কিন্তু মুসলিম বিশ্ব যে তথ্য ঘাটতির শিকার হয়েছিল তার প্রমাণ পায় কিছুদিন পর। আসলে তারা এটা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছিল যে, মুক্তিযুদ্ধ ছিল পূর্ব বাংলার উপর বিরামহীন শোষণ-বঞ্চনা, নির্যাতন, স্বৈরাচার ও পাকিস্তানি সামরিকতন্ত্রের বিরুদ্ধে।

শ্রীলঙ্কা ছিল পুরোপুরি পাকিস্তানের পক্ষে। ভারত পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধ করে দিলে শ্রীলঙ্কা তাদের রাজধানীকে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এ পথে পাকিস্তান থেকে শুধু বেসামরিক যাত্রী ও মালামাল আসেনি, এসেছে সেনাবাহিনি , অস্ত্রশস্ত্রও।

নেপালের রাজা বীরেন্দ্র দেশের ভেতরে ও বাইরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। এ কারণে তাঁর অনুগত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছে। তদুপরি তখন নেপালের সাথে ভারতের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা ছিল।

আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত থেকে বিচার করলে এক্ষেত্রে সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের মন্তব্যটি প্রণিধানযোগ্য্, তিনি লিখেছেন, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী পক্ষে ছিল বাংলাদেশ, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক নাগরিক সমাজ। আর বিজিত পক্ষে ছিল পাকিস্তান আর তাদের এদেশীয় দোসর আল-বদর, রাজাকার, আল শামস, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামী, পিডিপি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। দু’পক্ষের জয় পরাজয়ে গুণগত পার্থক্য ছিল। বাংলাদেশের জয় ছিল সামগ্রিক। ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের জয় ছিল নৈতিক ও কূটনৈতিক। অন্যদিকে পাকিস্তানের পরাজয় ছিল সামগ্রীক। আমেরিকা ও চীনের পরাজয় ছিল কৌশলগত ও কূটনৈতিক।

লেখক পরিচিতি: বাংলাদেশের কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও একাডেমিক এডভাইজার।
সাবেক অধ্যক্ষ, চকরিয়া সরকারি কলেজ, চকরিয়া, কক্সবাজার, বাংলাদেশ;
সাবেক সিনেট সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
সম্পাদক, দৈনিক চকোরী, কক্সবাজার, বাংলাদেশ।

তথ্য সূত্র:
১. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের ভূমিকা, প্রফেসর সালাহউদ্দিন আহমদ, মোনায়েম সরকার, ড. নুরুল ইসলাম মনজুর সম্পাদিত বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস [১৯৪৭-১৯৭১], আগামী প্রকাশনী, ঢাকা, পৃ: ৩৮৪-৩৮৬।

২. Archer K. Blood, The cruel Birth of Bangladesh: Memories of An American Diplomat, The University Press Limited, Dhaka, 2002

৩. সোহরাব হাসান, ১৯৭১ বাংলাদেশের শত্রু মিত্র, নবযুগ প্রকাশনী, ঢাকা, ২০১৭, পৃ: ১৬,১৭।

৪. সমকাল, ২৬ মার্চ ২০০৯ সংখ্যা।
৫.www.liberationwarmuseum.net/liberationwar.html

৬. ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা, মো. আখতারুজ্জামান সম্পাদিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রেক্ষাপট ও ঘটনা, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, এপ্রিল ২০১৯, পৃ; ১৩৩।

৭. আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দ্রষ্টব্য নোট ১৮, পৃ: ৩৫৮-৩৮২।

৮. বিস্তারিত দেখুন: শেখ আবদুল মান্নান, মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের বাঙালীর অবদান, জোৎস্না পাবলিশার্স, ঢাকা, ১৯৮৯, পৃ: ৯৫-১০৯।

Previous Post

উখিয়ায় বন্দুকধারীর গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ নিহত

Next Post

রামুর বৌদ্ধ বিহার হামলার ৯ বছর, বিচার শেষ করা যায়নি

Next Post
রামুর বৌদ্ধ বিহার হামলার ৯ বছর, বিচার শেষ করা যায়নি

রামুর বৌদ্ধ বিহার হামলার ৯ বছর, বিচার শেষ করা যায়নি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ কেমন হতে পারে

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ কেমন হতে পারে

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: চকরিয়ায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: চকরিয়ায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি’

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
খামেনির দাফন ৯ জুলাই

খামেনির দাফন ৯ জুলাই

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আর্কাইভ

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রফেসর এ কে এম গিয়াসউদ্দিন
সম্পাদকীয় কার্যালয়

গার্লস হাই স্কুল সড়ক, চিরিঙ্গা, চকরিয়া, কক্সবাজার।
মোবাইল : ০১৭১৩৬০৩১৫৫
E-mail: akmgiasuddin@gmail.com

কক্সবাজার অফিস

কলাতলী মোড়, কক্সবাজার

The Daily Chakori was first published on 10 June 1992 as a weekly magazine from Chakaria, Cox’s Bazar. It has been published daily since October 26, 2000. Now Chakori is being published online.
  • মূলপাতা
  • কক্সবাজার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • ব্যবসা-বাণিজ্য
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • বিনোদন
  • পর্যটন
  • একনজরে সব জরিপ
© 2024-25 The Daily Chakori. All Rights Reserved.

Website powered by DigitB

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়

© 2025-26 The Daily Chakori All Rights Reserved. Website powered by DigitB