বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান সালাহউদ্দীন আহামেদ (সি.আই.পি) শুক্রবার ১১ আগষ্ট চকরিয়া এবং পেকুয়া উপজেলায় দিনভর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের মধ্যদিয়ে ব্যস্ততম সময় পার করেছেন।
এদিন সকাল ১১ টায় সর্বপ্রথমে তিনি পেকুয়া উপজেলার চড়াপাড়া গ্রামে, জুমা’র নামাজের পরে নিজ গ্রাম পহর চাঁদায় এবং বিকেল সাড়ে ৩ টায় ডেইঙ্গাকাটা গ্রামে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রত্যেক জায়গায় উপস্থিত লোকজন পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী এবং এ বিপদময় মুহুর্তে তাঁকে কাছে পাওয়ায় সন্তষ্টি প্রকাশ করেন।
বন্যার্তদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন- বৃষ্টি সর্বশক্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য বড় নেওয়ামত। কিন্ত এ বৃষ্টির পানি চলাচলের জন্য সব উৎসগুলো স্থানীয় কিছু লোভী মানুষ নিজ স্বার্থে বন্ধ করায়, জোয়ার-ভাটার খালে বাঁধ দিয়ে মৎস্য চাষ, যথাসময়ে স্লুইস গেইট খুলে না দেওয়ায় এবং বিভিন্ন এলাকায় অবাধে পাহাড় কেটে ফেলায় বৃষ্টির পানির সাথে এসব পাহাড়ের মাটি গড়িয়ে নদী গিয়ে নদীর নাব্যতা হারিয়ে ফেলাশ সঠিকভাবে পানি চলাচল করতে না-পারায় অনাকাঙ্কিতভাবে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। আর এতে করে মানুষের বাড়ী-ঘর পানির নীচে ডুবে গিয়ে জন-জীবনকে বিপন্ন করেছে।
তিনি বলেন, মানুষের এই বিপন্ন সময়ে মানবিক দায়িত্ব হিসেবে আপনাদেরকে দেখার জন্য আমি এসেছি।
ত্রাণ বিতরণকালে তাঁর সাথে চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক ও কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাষ্টিজের সেক্রেটারি প্রফেসর এ.কে.এম. গিয়াস উদ্দীন, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সাংবাদিক মিজবাহউল হক, নাসিরউদ্দিন বাদশাহ সহ স্থাণীয় বিপুল সংখ্যক আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।







