মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের টানা দু’বারের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ যেকোনো সময় হত্যার শিকার হতে পারেন, এসব কথাবার্তা প্রায়শই লোকেমুখে শোনা গেলেও গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় ফেসবুকে প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা জানালেন তারেক চেয়ারম্যান নিজেই।
ইতোমধ্যে তাকে হত্যা করতে কালারমারছড়া ইউনিয়নের একজন সাংবাদিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন এবং মহেশখালী উপজেলার কয়েকজন বড় নেতা এ ষড়যন্ত্র লিপ্ত বলে জানান। তবে কে সেই সাংবাদিক! কারা সেসব নেতা! স্পষ্ট করে বলেননি ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
এসব বিষয় জানতে তারেক বিন ওসমান শরীফ চেয়ারম্যানের যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার পরিবারের জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে পাকিস্তান আমল থেকে ষড়যন্ত্র করে আসছে খুনিরা। তারা ১৯৭১ সালের ৩০ এপ্রিল আমার দাদা শহীদ মোহাম্মদ শরীফ চেয়ারম্যানকে হত্যা করে তার লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেন।
২০১২ সালের ২৯ মার্চ কুপিয়ে ও গুলি করে নিজ অফিসে হত্যা করেন মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, আমার পিতা ওসমান গণি চেয়ারম্যানকে।
এছাড়াও তারেক বিন ওসমান শরীফ অনেকবার গণমাধ্যমের কাছে তার জীবন বিপন্ন বলেছেন। তবে সেই ভয়ে তিনি জনগণ থেকে আলাদা হবেন, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, স্বাধীন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান রক্ষার জন্য আমার পিতা ওসমান গণি চেয়ারম্যান সংগ্রাম করে গেছেন। আমিও পিতার স্বপ্নকে জিইয়ে রাখতে, সন্ত্রাস দমন ও সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে যতদূর লড়াই করতে হয় করবো। এজন্য আমার প্রাণহানির আশঙ্কা থাকলেও ভয় পাই না।
পাঠকের জ্ঞাতার্থে তারেক বিন ওসমান শরীফে ফেসবুক স্ট্যাটাস হুবুহু তুলে ধরা হল:
কালারমারছড়ার এক সাংবাদিক আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মধ্যস্হতাকারীর ভূমিকা পালন করতেছেন, আমার বাবার হত্যা মামলার আসামিদের সাথে কয়েক বার বৈঠক করেছেন।মহেশখালী উপজেলার কয়েকজন বড় নেতা ও নেতাদের চামচা নেতা তাদের এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত।







