কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি বলেছেন, দুই বাংলার সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই মিলন মেলার মাধ্যমে যে হৃদ্যিক পরিবেশ তৈরী হলো তা সম্প্রীতির ইতিহাসে নতুন সংযোজন হয়ে থাকবে।

তিনি আরো বলেন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ভারত তথা ওপার বাংলার মানুষ প্রায় ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যে ঔদার্যের পরিচয় দিয়েছেন, তা আমরা কখনো ভুলবোনা। তিনি ২৮ নভেম্বর বিকেল ৩টায় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মৈত্রী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদের সভাপতি ড. দেবব্রত দেবরায় সম্পাদিত দু’টি পুস্তক ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবর্ষ আন্তর্জাতিক স্মারক গ্রন্থ’ ও ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আন্তর্জাতিক স্মারক গ্রন্থ’ দু’টির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
সিবিআইইউ’র কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এই মৈত্রী উৎসবে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম কিবরিয়া ভূইয়া।
মৈত্রী উৎসব উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি।
প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সেক্রেটারি প্রফেসর এ কে এম গিয়াস উদ্দিন এর উপস্থাপনায়, আরো বক্তব্য দেন অধ্যাপক সোমেশ্বর চক্রবর্তী।
দু’টি স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক ভারতের আগরতলা, ত্রিপুরা থেকে আগত অধ্যাপক দেবব্রত দেবরায়, বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট লেখিকা নিয়তি রায় বর্মন।
স্বাগত ভাষণ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর সুকুমার দত্ত।
দ্বিতীয় পর্বে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বিওটি’র চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম কিবরিয়া ভূইয়া, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব প্রফেসর এ কে এম গিয়াসউদ্দিন, ও বিশেষ বিশেষ অবদানের জন্য কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে প্রফেসর সোমেশ্বর চক্রবর্তী, জসিম উদ্দিন বকুল, কবি আসিফ নূর প্রমুখ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের ৩০ জন কবি, সাহিত্যিক, সংগীত ও নৃত্য শিল্পীদেরকে ক্রেস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘ঐতিহ্য’ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিতি ছিলেন এবং উভয় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি, সাহিত্যিক, সংগীত ও নৃত্য শিল্পীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানস্থল একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।







