পেকুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের নন্দীর পাড়ায় সাপের কামড়ে সাদেক মোঃ জিহান (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরও চিকিৎসা না দেয়ায় চকরিয়ায় নিয়ে যাওয়া পথে বুধবার রাত ৯টার দিকে সে মারা যায়।
জিহান পেকুয়া সদর নন্দীর পাড়ার সালাহ উদ্দিনের ছেলে। পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প কর্মকর্তা হাসপাতালে সাপে কামড়ানো রোগির ওষধ নেই বলে দাবী করেন।
শিশু জিহানের দাদা আলী আহমদ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় তাদের বাড়ীর উঠনে খেলার সময় পাকা ঘরের বাইরের কলামের ফাটলে জিহানের পা ঢুকলে ফাটলে আগে থেকে আশ্রয় নেওয়া বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দেয়।
শিশুটি দৌঁড়ে ঘরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা তাৎক্ষনিক তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে কিছুই হয়নি বলে চিকিৎসা না দিয়ে বের করে দেন।
পরে শিশুটিকে চকরিয়ার ডুলাহাজারায় অবস্থিত মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার পথে সে মারা যায়।
পরে শিশুটিকে চকরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিহানের দাদা আলী আহমদ পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. মহিউদ্দিন মাজেদ চৌধুরী বলেন, সাপে কাটলে চিকিৎসা দেওয়াটা স্পর্শকাতর। উপজেলা পর্যায়ে এখনও এই চিকিৎসাটা দেওয়া হচ্ছে না। সাপে কামড়ানো রোগীর কোন ওষধ এই মুহুর্তে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই বলে তিনি দাবী করেন।








সময়মত চিকিৎসা না দেয়ায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া দরকার!