কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের আওতাধীন,মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটের অধিন,মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় মহাসড়কের পূর্বে পাশে বনের মধ্যখানে জমিতে জমাকৃত পানির লেক নামের পুকুরে মাছ চাষ,পাশে ব্যক্তিগত নার্সারী করে ফায়দা লুণ্ঠন করে চলছে দখলবাজ নন-ভিলেজার আবুল কালাম।
দখলবাজ,আবুল কামাল,খুটাখালী ইউনিয়নের ফরেষ্ট অফিসপাড়ার বাসিন্দা মৃত আলী আহমদের ছেলে।
সরেজমিন গেলে দেখা যায়,মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের সম্ভাবনাময় লেকটিতে দীর্ঘ তিন বছর যাবৎ মাছ চাষ,লেকের পাড়ে পাহাড়ের ঢালুতে ব্যক্তিগত নার্সারী,গাছ চোরদের সাথে আতাত করে প্রতিনিয়ত হাজার-হাজার টাকা আদায়ের মাধ্যমে ফায়দা লুণ্ঠন করে চলছে,বনভূমি দখলবাজ নন-ভিলেজার আবুল কালাম।লেকে পরিদর্শনে আরো দেখা যায়,লেকের পুকুর পাড়ের লাগোয়া কাগজ মুড়িয়ে একটি কুড়েঁ তৈরী করে পাহারায় এক মহিলা দিয়ে দখল করে রেখেছে আবুল কালাম।কালামের মাছ ও নার্সারী পাহারাদার মহিলাটি জানান,লেকে মাছ চাষ,নার্সারী করেছে কালাম।পাশাপাশি বনও পাহারা দিচ্ছি আমরা।রাতের বেলায় অনেক সময় বনোহাতির হামলার স্বীকার হয়েছি।প্রতিবেদক হিসেবে মহিলাটি প্রশ্ন করি?এখানে থাকার অনুমতি কে দিয়েছে?উত্তরে মহিলাটি বলেন,আগের এসিএফ স্যার নাকি কালামকে স্হান দিয়েছে।মহিলাটি নাম জিজ্ঞেস করলে,নাম বলবে না বলে উত্তর দেন।
নাম প্রকাশে অইচ্ছুক কথেক ব্যক্তি জানান,আবুল কালাম একজন নন-ভিলেজার।
সে বনের দৈনিক বেতনধারী কাজ করতো।সে সুযোগে খুটাখালী বিটের নতুন বাগানিয়া পাড়া একটি বিশাল জায়গা দখল করে থাকছিল।এটি এলাকার প্রভাবশালী মিঠু নামের একব্যক্তিকে বিক্রি করে দিয়েছে।পাশে গোদারফাঁড়ি সংলগ্ন হরিন্নাঝিরি খালের পাশে তার মাকেও একটি জায়গা দখল করে দিয়েছিল।
এই জায়গাটিও আরেক প্রভাবশালী ওবাইদুল্লাহ নামের একব্যক্তিকে বিক্রি করে দিয়েছে।এরপরেও হরিন্নাঝিরি খালের ব্রীজের পাশে বাগান কেটে আরেকটি জায়গা দখল করে,মাটির দেওয়াল দিয়ে ঘর করার চেষ্টাকালে,পত্রিকার নিউজের জেরে তৎকালিন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জকর্মকর্তা সৈয়দ আবু জাকারিয়া অভিযান করে ঘরটি উচ্ছেদ করে দেন।উচ্ছেদের পরে কালাম তার দখলকৃত জায়গাটি একই ব্যক্তি ওবাইদুল্লাহকে বিক্রি করে দিয়েছে বলে জানান।কালামের হাত ধরে সেগুনবাগিচা,বাগানিয়া পাড়ায় অনেক ঘর নির্মাণ হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন,যে কালাম কেবল বনের জায়গা দখল করে বিক্রি করে,বনের ভিতরে নার্সারী করে। ভিজিটিং কার্ড চাপিয়ে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে চারা বিক্রি করে। গাছ চোরদের সাথে আতাত করে,নিজের ফায়দা লুঠ করে। সে কিভাবে আবারো জাতীয় উদ্যান লেকে মাছ চাষ,নার্সারী করে,টিকে থাকে? তাহলে কি বনবিভাগের উচ্চতর কর্মকর্তাদের সাথে কালামের সখ্যতা রয়েছে?
এবিষয়ে ফুলছড়ির সহকারী ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জকর্মকর্তা ফারুক আহমদ বাবুল বলেন,জাতীয় উদ্যান লেকে মাছ চাষ,পাশে ব্যক্তিগত নার্সারী ও লেকের পুকুর পাড়ে কুড়েঁ ঘর আছে।তা আমি জানি না।এখন যেহেতু জেনেছি!অবশ্যই উচ্ছেদের মাধ্যমে তা ব্যক্তি দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন।







