চকরিয়া উপজেলাধীন কাকারা ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর রূপন দে (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাত ১১টায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী এলাকায় মাতামুহুরী নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রূপন দে কাকারা বটতলী এলাকার শুভাষ চন্দ্র দে’র ছেলে। নিহত রূপন এসি/ফ্রিজ মেরামতের কাজ করতো বলে জানা গেছে।
নিহতের পিতা শুভাষ চন্দ্র জানান, বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১ টার সময় হাতে যন্ত্রপাতিসহ কাজের উদ্দেশে বের হন রূপন দে। দুপুর ২ টায় দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য তার স্ত্রী ফোন দিলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে রূপন আর বাড়ি ফিরেনি। খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার বিকাল ৫ টার সময় লোটনী ৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মাতামুহুর নদীতে তার লাশ ভাসতে দেখতে পায় নদীপাড়ে খেলতে যাওয়া শিশুরা। পরে ওই এলাকার ইউপি সদস্য হারুন নিহতের পরিবারকে অবগত করেন। পরে নৌ-পুলিশে খবর দেওয়া হলে রাত ১১টায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
এদিকে নিহতের পরিবারের স্বজনরা দাবি করেন, রূপনকে হত্যার পর লাশ মাতামুহুরী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। তারা এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলমান বলে জানান নিহতের পিতা।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মাতামুহুরী নদীতে রূপন দে নামে এক যুবকের লাশ ভেসে এসেছে এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তবে এই বিষয়ে বদরখালী নৌ-পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে।
চকো/জেইউ।







