কক্সবাজারের সদরের আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য ককটেল সহ তিন আরসার সদস্যকে আটক করেছে র্যাব।
আজ রবিবার ভোর রাতে চার ঘন্টা ধরে অভিযান চালিয়ে আদর্শ গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
আজ রবিবার দুপুরে কক্সবাজার র্যাব ১৫ এর অধিনায়ক লে কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান র্যাব-১৫, রাষ্ট্রীয় একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আরসা’র লজিস্টিক কমান্ডার ও তার কয়েকজন সাথী কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার ডিসি পাহাড় সংলগ্ন আদর্শগ্রামে অবস্থান করছে। নির্ভরযোগ্য এমন তথ্যের প্রেক্ষিতে আজ ভোর রাত থেকে সকাল ৯ টা পর্যন্ত র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আদর্শ গ্রামের বাড়ি থেকে আরসা’র লজিস্টিক শাখার প্রধান হাফেজ রহমত উল্লাহ’সহ তিনজন আরসা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার করা হয় ৪.৯ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ১৫ পিস ককটেল, আইডি তৈরীর সরঞ্জাম, ১.৫ কেজি মারকারী, ০১টি ওয়াকিটকি, ৫৩টি সার্কিট, ০৯ বান্ডিল সামরিক বাহিনীর ন্যায় পোষাক তৈরীর কাপড়, ৭০টি গেঞ্জি, ১২টি টুপি, ১৩০টি হ্যান্ড গ্লোভস, নগদ ২,২৯০/- টাকা, ২টি মোবাইল এবং ০১টি ল্যাপটপ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত হাফেজ রহমত উল্লাহ র্যাবকে জানায় মিয়ানমারের রাখাইন ষ্টেটের সন্ত্রাসী গ্রুপ আরসার নির্দেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খুন অপহরণ নাশকতা করে থাকে। সে আরসা প্রধান এবং সামরিক শাখার প্রধানের ডিমান্ড অনুয়ায়ী বিভিন্ন উৎস হতে লজিষ্টিক সরঞ্জামাদি বিশেষ করে আরসার জন্য ইউনিফরম এর কাপড়, শীত বস্ত্র, রেইন কোট, বুট জুতা, মোজা, বেল্ট, ক্যাপ, ব্যাগ এবং বোমা ও মাইন বানানোর জন্য হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, মারকারী (পারদ), ফোম, টর্চ লাইট, ব্যাটারী, ব্যাটারীর ক্যাপ, ইলেকট্রিক তার, ইলেকট্রিক ক্লিপ, ছোট টেবিল ঘড়ি, ছোট লাইট, লোহার রড, সিমেন্ট, ছোট লোহা, পাইপ, কাচঁ সহকারে নানান ধরনের বোমা ও মাইন তৈরীর সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করতো এবং কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে তা জমা রাখতো। পরবর্তীতে আরসার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড খালেদের নির্দেশনা অনুয়ায়ী উপরে বর্ণিত সরঞ্জামাদি কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসা’র সদস্যদের কাছে প্রেরণ করতো।







