অনেক প্রতীক্ষার অবসান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাতারবাড়িতে পোঁছলেন।
সকাল থেকে মাতারবাড়ির পথে নেমেছিল জনস্রোত। কেবি জালালুদ্দিন সড়ক গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি পুরোটাই ছিল মাতারবাড়িমুখী গাড়ি বহরের স্রোতে। এই গাড়ি বহর বদরখালী ব্রিজ পার হওয়ার পর যটে পড়ে যায়। এই যানজটের কারণে অনেকেই জনসভা স্থল অবধি পৌঁছাতে পারেনি। ফলে অনেককে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরেতে হয়েছে মাঝপথ থেকে।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর মাতারবাড়ি এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে তিনি এসেছিলেন এই মাতারবাড়িতে। শেখ হাসিনার ওই সফরকে ঘিরে তখন স্থানীয় আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত আকারের একটি জনসভার আয়োজন করেছিল।
তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা তখন ধারণা করেছিলেন, জনসভায় কয়েক হাজার লোক সমাগম হতে পারে। কিন্তু সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সেদিন জনসভাস্থল মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছিল। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে নেমেছিল মানুষের ঢল।
বাড়ি-ঘরের দরজা বন্ধ করে সেদিন সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন মাতারবাড়ির অগুনিত মানুষ।
অভূতপূর্ব জনসমাবেশের সেই দৃশ্য দেখে সেদিন আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী।
মাতারবাড়ীকে সেদিন তিনি ‘মায়ের বাড়ি’ আখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেছিলেন এটি ‘দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া’। সেই থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ রাজনৈতিক সচেতন মহলের কাছে মাতারবাড়ী দেশের দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া হিসেবে পরিচিত।
শনিবার (১০ নভেম্বর) দীর্ঘ ২৮ বছর পর সেই দ্বিতীয় টুঙ্গিপাড়া সফরে এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







