কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জননেতা সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী নেতাদের নৌকা প্রতীক দেয়া হলে জেলার ৪টি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে জননেত্রী শেখ হাসিনা লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে যে উন্নয়ন মহাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন, তাতে কক্সবাজারবাসী অভিভূত। নেত্রীর এই অর্জন কিছু নেতার দুস্কর্মের কারণে আজ কিছুটা ম্লান। তাই দেশের মানুষ এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়ার পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বে দেশে সুশাসন কায়েমের জন্য পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী নেতাদের সর্বস্তরে জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃত্বে দেখতে চায়।
তিনি আরো বলেন, এই সুশাসন কায়েমের লক্ষে কক্সবাজারের ৪টি আসনে পরিচ্ছন্ন ও সৎ প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে কক্সবাজারের ৪টি আসনেই দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করা সম্ভব।
তিনি মঙ্গলবার বিকেলে আগামী ১১ নভেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনার মাতারবাড়ী জনসভা সফল করার নিমিত্তে চকরিয়ার চিরিঙ্গা থেকে খুটখালী পর্যন্ত রোড শো শেষে খুটাখালী বাজারে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।
পথ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী,চকরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক প্রফেসর এ কে এম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সরোয়ার আলম, মাতামুহুরি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসীন বাবুল, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক মোছলেহউদ্দিন মানিক সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পরে সন্ধ্যায় তিনি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় যোগ দিয়ে তাঁর ভাষণে বলেন, ১১ নভেম্বর জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি অধিক সংখ্যক যাতে হয় সেদিকে যত্নবান হতে হবে।
জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক সাংসদ এথিন রাখাইন, রেজাউল করিম, সাংসদ সাইমুম সরোয়ার কমল,
এডভোকেট রঞ্জিত দাশ, মাহবুবুল হক মুকুল, নজিবুল ইসলাম, লে.কর্নেল (অব) ফোরকান আহমেদ, আবদুর রহমান বদি প্রমুখ।







