আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নং ১০) জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৪নং স্থানীয় হুশিয়ারী সংকেত নামিয়ে ৭নং বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪নং স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে যথাক্রমে ৬নং বিপদ সংকেত ও ৫নং বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুন আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৪৫ কি.মি পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৪১০ কি.মি পশ্চিম দক্ষিণপশ্চিমে এবং মোংলা সমুদ্রবন্দর ৩২৫ থেকে কি.মি দক্ষিণপশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩১০ কি.মি দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘণিভূত হয়ে উত্তর পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ভোলা ও চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
উপকূলীয় জেলা ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, বরিশালা, বরগুনা, ৭নং বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, ভোলা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, বরিশালা, বরগুনা, ঝালকাটি, খুলনা, বাগেরহাট এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতায় বায়ূতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি (৪৪-৮৮ মি.মি) হতে পারে। ভারী বৃষ্টিপাতে কারণে কক্সবাজার, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটির পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কি.মি এর মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ৯০ কি.মি। যা ঝড়ো হাওয়া আকারে ১১০ কি.মি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকো ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।







