‘কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এই সুপারিশে ভৌগোলিক দিক চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি বিশেষ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছে ইউজিসি।
বুধবার (৪ অক্টোবর) ইউজিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে চারটি বিষয় চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো: ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, সমুদ্র বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য বিজ্ঞান।
বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও রাজবাড়ী, ভোলা, জয়পুরহাট, নড়াইল ও বরগুনা জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
একই বিজ্ঞপ্তিতে প্রস্তাবিত ময়মনসিংহ, রংপুর ও গাইবান্ধাতে বিশ্ববিদ্যালয় না করারও সুপারিশ করা হয়।
এরআগে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জানান, ইউজিসির সুপারিশ করার পর তা প্রথমে মন্ত্রী সভায় যাবে, সেখান থেকে পাস হওয়ার পর তা সংসদে পেশ করা হলে তারপর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হবে।
তবে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয় হলেও ঠিক কোন জায়গায় স্থাপিত হচ্ছে তা এখনো ঠিক করা হয়নি। তবে যেনো বান্দরবান-কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী কোনো জায়গায় হয় তা বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলেও জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি চকরিয়ায় প্রতিষ্ঠা করা হলে এর অধিকতর সুফল পাবে পার্বত্য লামা, আলীকদম, নাইক্ষংছড়ি, কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, রামু, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলার জনসাধারণ। কারণ ভৌগোলিকভাবে চকরিয়া এই উপজেলা সমুহের মাঝখানে অবস্থিত এবং এসব উপজেলা ছাড়াও চকরিয়ার সাথে অন্যন্য উপজেলার রয়েছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
তদুপরি চকরিয়ায় দ্রত নগরায়ন ও ইতোমধ্যে ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখানে নগরজীবনের স্বাদ যেমন পাবেন, তেমনি মৎস্য,শষ্য ও শাকসবজি উৎপাদনের উর্বর জায়গা হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখানে অবস্থান করে সস্তায় জীবন ধারণ করে শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করতে সক্ষম হবেন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।







