ঢাকা চট্টগ্রামের পর এবা ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হতে চলছে কক্সবাজার। প্রায় ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহ ঘনবসতিপূর্ণ কক্সবাজারে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।
জেলার অন্তত বিশটির বেশী হাসপাতালে ভর্তি আছে অন্তত দেড়শো এর বেশী ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। আড়াইশো শয্যা কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৮ জন।
কক্সবাজার স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে বেশীর ভাগই রোহিঙ্গা নাগরিক। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুন্নত জীবন যাপনের কারণেই ক্যাম্পে বাড়ছে এই রোগে আক্রন্তদের সংখ্যা।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগিরা জানালেন শরীরে নানা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎকের শরনাপন্ন হয়েছেন তারা। পরে পরিক্ষা নীরিক্ষায় তাদের শরীরেও ধরা পড়ে ডেঙ্গু।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনের অভিযোগ, সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার কথা থাকলেও সেসব সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।
সদর হাসপাতালের চিকিৎসক বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা করতে না পারলে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার দিন দিন বাড়বে। বর্ষায় এর পরিমাণ ভয়াবহ হওয়ারও ইঙ্গিত দিলেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আশিকুর রহমান।
এদিকে বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের ৫ টি নির্দেশনা জারি করেন।
নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন- নির্দেশনা পাওয়ার পর ৮ উপজেলার প্রায় ৫ শতাধিক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ৫ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য চিঠি প্রেরণ করেছি। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিজিটের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন ।
২০২২ সালে কক্সবাজারে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলো ১৫ হাজার ৩৩০ জন। তার মধ্যে রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩,৮৮৬ জন। সে সময় মারা যায় ৩৩ জন।







