কক্সবাজারের আকাশে মেঘ নেই। বৃষ্টির দেখা নেই আজ তিন দিন ধরে। তপ্তরোদে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। তারপরও ঈদ বলে কথা। ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটক আসবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এবারের চিত্রটি অনেকটাই ভিন্ন।
ঈদুল আজহার ছুটিতে আশানুরূপ পর্যটক নেই কক্সবাজারে। সেকারণে হতাশ এখানকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, অন্য সময়ে ঈদের আগে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ বুকিং হলেও এবার বুকিং হয়েছিল মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ । ঈদের পরের দিনও দেখা নেই আশানুরূপ পর্যটকের।
সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট সকাল থেকে লোকজনের পদচারণায় মুখর ছিলো। কিন্তু এদের অধিকাংশই স্থানীয় দর্শণার্থী।
তারপরও আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে জেলা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আবু সুফিয়ান জানান, পর্যটকসহ যারা দর্শনীয় স্থানে ভ্রমনে এসেছে তাদের নিরাপত্তায় কাজ করছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি টুরিস্ট পুলিশ রয়েছে সৈকতসহ দর্শনীয় স্থানে।
ঢাকা থেকে ভ্রমনে আসা আনিসুজ্জামান বলেন, শুক্রবার সকালেই গাড়ি থেকে নেমেই সোজা সৈকতের পানিতে গা ভাসিয়েছেন আনিছ দম্পতি। কক্সবাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও সন্তুষ্ট তারা। এদিকে হোটেল রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক।
টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার শেহরিন আলম জানান,কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, ইনানী বীচ পয়েন্ট, পাটুয়ারটেকসহ সব জায়গায় টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।
এদিকে শুক্রবার পর্যটক কম হলেও শনিবার পর্যটক আগমনের হার কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।
হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার জানান, ঈদে তাদের যাবতীয় প্রস্তুতি ছিল। দেশের বিভিন্নস্থানে বৃষ্টি এবং বৈরি আবহাওয়া কারনে পর্যটক আগমনের হার কমেছে বলে জানান তিনি।







