কক্সবাজারের পেকুয়ার সংস্কারের অভাবে বেহাল টইটংয়ের আবদুল্লাহপাড়া সড়ক।
হঠাৎ করে রাস্তাটি দেখলে মনে হবে সড়ক নয়,যেন ছোটখাটো জলাশয়! খানাখন্দে ভরা এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন চলা দূরের কথা হেটে চলাও মুশকিল হয়ে দাড়িয়েছে।
এ সড়কের এমন নাজেহাল অবস্থা। সংস্কারবিহীন ওই রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তে। এক একটি গর্ত যেন মৃত্যুফাঁদ!
এলাকাবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ এ সড়কটি সংস্কার না করায় মাটি ও বালি সরে গিয়ে এমন দর্শার সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ সড়ক দিয়ে টইটং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আব্দুল্লাহপাড়া, আবাতি ঘোনা, মিয়াজির মোড়া, মৌলভী পাড়া, লেইনের শিরাসহ আরো কয়েকটি গ্রামের হাজার দুইয়েক মানুষের চলাচল হয়ে থাকে প্রতিদিন।
কোন মুমুর্ষ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া আসা থেকে শুরু করে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের আসা যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ সড়কে বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে একটু বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানি জমা হয়ে গিয়ে সড়কটির উপর মিনি পুকুরে রূপান্তর হয়ে যায়।
যার ফলে হাটাচলা বন্ধ হয়ে যায় এলাকাবাসীর। এমনকি ভয়ে যানবাহন ও চলাচলে করে না। এ এলাকায় প্রায় ৩ হাজার লোকের বসবাস। এ সড়কের জন্য স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে পারছে না এলাকাবাসী।
এ সড়ক সংস্কার করে দূর্ভোগ লাঘব করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করেন এ এলাকায় বসবাসরত লোকজন।
তবে তাদের অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদাসিনতার কারণে এ দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা আরো জানান ১৪-১৫ বছর আগে সংস্কার করা হয়েছিল এ সড়ক। এরপর থেকে অনেক জনপ্রতিনিধি আসে আর যায় কিন্তু এ সড়কের বেহাল দর্শা দেখেও তারা সংস্কারে এগিয়ে আসেনি। আসে ভোট চাইতে দেয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নির্বাচন শেষ হলে আর সেই প্রতিশ্রুতির কোন খবর থাকে না।
এলাকার সচেতন ব্যক্তি মুস্তাকিম এ প্রতিবেদককে বলেন, ১৪-১৫ বছর আগে সংস্কার করা হয়েছিল এ সড়ক। এরপর থেকে অনেক জনপ্রতিনিধি আসে আর যায় কিন্তু এ সড়কের বেহাল দর্শা দেখেও তারা সংস্কারে এগিয়ে আসেনি।কোন এক সময় মনে হয় বলছিল এমপি সাহেব রাস্তা টা করে দিবে তা প্রায় ৫ বছর আগে এখনো সড়কটি সংস্কারের ছোয়া লাগে নাই।
এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আবচার জানান, পরিষদের পক্ষ থেকে এ রাস্তা সংস্কার করার জন্য চেয়ারম্যানকে বারবার অনুরোধ করতেছি করবে করবে বলে করতেছে না।
এ বিষয়ে টইটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিক বার কল করলেও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে সংস্কারের ব্যবস্থা নিবো।







