কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউপিতে লবণ সংরক্ষণ ও পলিথিন আনতে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় মোখা’র কবলে পড়ে তিন লবণ চাষীর মৃত্যু হয়েছে।
তারা হলেন— উপজেলার হোয়ানক ইউপির পশ্চিম কালাগাজীর পাড়া গ্রামের মৃত আবুল ফজলের পুত্র মোহাম্মদ রিদুয়ান, একই ইউপির পানিরছড়া গ্রামের মৃত মদনের পুত্র মো: আনছার উল্লাহ ও আকতার কবিরের পুত্র মো: নেছার উদ্দিন।
জানা গেছে, ১৪ মে (রবিবার) সকাল নয়টায় আনুমানিক পঞ্চাশ জনেরও বেশি লবণ চাষী পলিথিন ও লবণ সংরক্ষণে মাঠে যায়। ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রচন্ড বাতাসে কয়েকজন ঠান্ডায় অবচেতন হয়ে পড়লে পাশ্ববর্তী কয়েকজন চাষী তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে চারটায় রিদুয়ানের মৃত্যু হয়। অন্যদের মধ্যে নেছার উদ্দিন ও আনছার উল্লাহকে অনেক খোঁজাখুজির পর লবণ মাঠ থেকে রাত এগারটায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেকজনকে অবচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।
হোয়ানকের ইউপি চেয়ারম্যান মীর কাসেম চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, মৃত ব্যক্তিদের স্ব স্ব পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এখনো কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
লবণ মাঠে উপস্থিত থাকা লোকমান হোছাইন জানান, সকালে ঘূর্ণিঝড় মোখার যখন একটু আধটু প্রভাব শুরু হচ্ছিল ঠিক সে সময়ে আমরা যে যার মত করে উৎপাদিত লবণ গর্তে সংরক্ষণ করতে যাই। আমরা সারাদিন বাতাস আর বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করছিলাম। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় আমি ও আরো কয়েকজন অসুস্থতা বোধ করি। পথিমধ্যে আমি বাড়ি পৌঁছে অজ্ঞান হয়ে যায়। হুঁশ ফিরলে নিহতদের মৃত্যুর খবর শুনি।
এ বিষয়ে মহেশখালী ইউএনও মোহাম্মদ ইয়াছিনকে ফোনে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।







