তিনদিন ধরে অসুস্থ দুই মাসের দুধের শিশু সোয়াদ। তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য মা ফাতেমা আক্তার (১৯) বের হয়েছিল কোর্টবাজারের উদ্দেশ্যে।হোয়াইক্যং স্টেশন থেকে সিএনজিতে উঠে যাচ্ছিলেন তারা। সিএনজি যাত্রা শুরু করতেই লল্বাবিল এলাকায় এসে ঘটলো বিপত্তি। সামনে থেকে ড্রাম ট্রাক এসে তাদের গাড়িতে চাপা দেয় । এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় মা ফাতেমা ও শিশু সোয়াদ৷
শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজারের টেকনাফের হোইয়াক্যং লম্বাবিল এলাকায় ড্রাম ট্রাকের চাপায় সিএনজি ( অটোরিকশা) তারা নিহত হন । এঘটনদয় আহত হয়েছিল আরো দুজন।
ফাতেমা আক্তার টেকনাফের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের স্ত্রী।
ফাতেমার স্বামী আবুল কাশেম বলেন, গত তিনদিন ধরে ছেলেটা অসুস্থ।দুপুরে ডাক্তার দেখানোর জন্য কোর্টবাজার যাচ্ছিলো তারা মা – ছেলে। হঠাৎ ঘাতক ট্রাক কেড়ে নিলো আমার বুকের ধন ও প্রিয়তমা স্ত্রীকে। আমাদের বিয়ে হয়েছে গত দেড় বছর। এই স্বল্প সময়ে আমি তাকে হারালাম। এই দুর্ঘটনায় আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল। ভেঙে গেল সব স্বপ্ন।
ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে
হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ মো: মনিরুল ইসলাম জানান, দুপুরে সিএনজিটি টেকনাফ থেকে যাত্রী নিয়ে উখিয়া অভিমুখে যাচ্ছিলেন ড্রাম ট্রাকটি বেপরোয়া গতিতে টেকনাফ যাচ্ছিলো, লম্বাবিল এলাকায় ট্রাকটি সিএনজিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। আহত হয় আরো ২ জন। লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহতদেরও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়৷
ইতোমধ্যে গাড়ি চালককে আটক করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। গাড়িও জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলছে৷







