যে যতো বড় ডিগ্রী ধারী কিংবা শিক্ষিত হোক, কর্মজীবনে সততার চর্চা ছাড়া কোন শিক্ষারই গুরুত্ব নেই। কারণ একজন উচ্চ শিক্ষিত রাজনীতিক যদি অসৎ হন, তাহলে তিনি লোভের বশবর্তী হয়ে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সমাজ-দেশকে অতল গহবরে নিয়ে যাবেন। একইভাবে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার সহ যে যেই পেশায়, সম্পৃক্ত হোক-সর্বত্র অরাজকতা বিরাজ করবে।
তাই শুধু পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে সার্টিফিকেট অর্জন নয়, সাথে সাথে প্রত্যেককে সততার সাথে জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠতে হবে। তাহলেই সাধারণ মানুষের কাছে যেকোন শিক্ষিত মানুষ এবং শিক্ষার গুরুত্ব ফুটে ওঠবে।
গতকাল ৭ ফেব্রæয়ারী চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর-কোরালখালী নুরুল আমীন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি. পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনায় বক্তাগণ এভাবে অভিমত ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য এ বছর উক্ত প্রতিষ্টান থেকে ১২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী আসন্ন এস.এস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আনোয়ার উক্ত বিদায় সংবর্ধনায় সভাপতিত্ব করেন। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল আমীন চৌধুরী উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
বক্তাগণ বলেন- সাহারবিলের একদার পশ্চাপদ গ্রাম রামপুর এবং কোরালখালী মধ্যবর্তী স্থানে নুরুল আমীন চৌধুরী একটি শিক্ষা প্রতিষ্টান গড়ে তোলায় এলাকার মানুষের নাগালের কাছে তাদের ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখা করসর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ।
বক্তাগণ এ প্রতিষ্টান নুরুল আমীন চৌধুরীর ভবিষ্যত জীবনে একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন এবং তাঁর শারীরিক সুস্থতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন।
অন্যান্যদের মধ্যে মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি কে.এম. নাছির উদ্দীন, কোরালখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এরফানুল কবির, নুরুল আমীন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ, বিশিস্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবৃন্দ যথাক্রমে মোহাম্মদুল হক ও সাকের উল্লাহ ও পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সামাদ বক্তৃতা করেন।
বিদায় সংবর্ধনা শেষে বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়।
চকো/জে







