বইয়ে ভাঙি মগজের অর্গল এই প্রতিপাদ্যকে ঘিরে কক্সবাজারে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে কবি মানিক বৈরাগী ১০টা বেসরকারি গণপাঠাগারে বই বিতরণ করেছেন।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে অনুষ্টিত বই বিতরণ অনুষ্ঠান জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি প্রফেসর আ ক ম গিয়াস উদ্দিন, বিশেষ অতিথি সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল আজিম কনক, কক্সবাজার সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান ঋষিকেশ পাল।

কক্সবাজার বেসরকারি গণপাঠাগার পরিষদের সদস্য সচিব শিপ্ত বড়ুয়া’র সঞ্চলনায় ও আহবায়ক শোয়াইবুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে কবি মানিক বৈরাগী বলেন, একটি শিশুকে সেদিন ঘাতকেরা হত্যা করেছিলো। জাতিপুত্রের স্বরণে এই বিতরণ। স্থানীয় পাঠাগারগুলোকে উজ্জ্বীবিত রাখতে বই বিতরণের কোন বিকল্প নেই।

এদিকে অন্যন্য বক্তারা বলেন, মানিক বৈরাগীর এমন উদ্যোগ পাঠাগারকর্মীদের উৎসাহ যোগাবে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনাগুলোকে বেসরকারি পাঠাগারে বই সহযোগিতা দেওয়ার আহবানও জানান বক্তারা।
বই বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর ডীন ড. রনজিত দস্তিদার, চকিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়া বেগম শম্পা, গণমাধ্যম কর্মী মহিউদ্দিন অদুল, বদরখালি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান, গণপাঠাগার পরিষদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন রামু সাহিত্যঘর গণগ্রন্থাগারের রিমন বড়ুয়া, রাজাখালি উম্মুক্ত পাঠাগারের জাহেদুল ইসলাম এবং রত্নগর্ভা আয়েশা গোলাম-শরীফ গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা মহি উদ্দিন কাদের অদুল।
আয়োজকরা জানান, প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বই দিয়ে সহযোগীতা করেন, আবির প্রকাশনী,খড়ি মাটি প্রকাশনী,চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনী। ব্যাক্তিগত এ-ই বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রত্যেক গণপাঠাগারে বই উপহার সাবেক ছাত্রনেতা, কক্সবাজার জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ মোর্শেদ ও কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য।
সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার পাঠাগারসমূহকে বাঁচিয়ে রাখতে এমন উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে বলে দাবী সংগঠকদের।







