বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এপ্রিল থেকে বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের জন্য মাসিক খাদ্য সহায়তা ১২ দশমিক ৫০ ডলার থেকে ছয় ডলারে নামিয়ে দিয়েছে, যা আগের তূলনায় অর্ধেক কম। যার ফলে কক্সবাজার এবং ভাসানচরস্থ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ব্যাপক ক্ষুধার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
রোহিঙ্গা ত্রাণ কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, “তারা যা পাচ্ছে তা ইতোমধ্যে যথেষ্ট নয়, তাই নতুন করে যদি সহায়তা কমানো হয় সেটার পরিণতি কল্পনা করা কঠিন।”
ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, তারা ১২ দশমিক ৫০ ডলার ধরে রাখতে চেয়েছিল, কিন্তু তহবিল সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছে।
সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ছয় ডলার বা তার কমে খাদ্য সহায়তা দেয়া হলে তা বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ খাদ্য সরবরাহ করতে পারবে না এবং ক্যাম্পগুলোতে উত্তেজনা আরও বাড়বে।
মার্কিন সরকারের অর্থায়ন বন্ধ হওয়ার কারণে এই সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ছিল প্রধান দাতা।
গত বছর রেশন কাটার পর ৯০ শতাংশ রোহিঙ্গা একটি উপযুক্ত খাবার খেতে পারেনি, যার ফলে অপুষ্টি বেড়ে গিয়েছিল।
এটি রোহিঙ্গা জনগণের জন্য একটি বিপর্যয় এবং এর প্রভাব কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের ওপরও পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
সূত্র: ডেইলি স্টার







