জাতিসংঘের খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) তাদের সহায়তা অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ায় কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তার সংকট ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।েইতোমধ্যে প্রতিটি রোহিঙ্গার খাদ্য রেশন ১২ দশমিক ৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ছয় ডলারে নামানো হয়েছে।
এর ফলে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও আইনশৃঙ্খলার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বেড়ে যেতে পারে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।
মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং তাদের অধিকাংশের জন্য সহায়তার পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশে চাপ বাড়ছে।
২০২৪ সালে রোহিঙ্গাদের জন্য ৯০০ মিলিয়ন চেয়ে পাওয়া গেছে ৬০০ মিলিয়ন। ২০২৩ সালে রোহিঙ্গাদের জন্য ৮৭ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা চেয়ে মিলেছে এর ৫০ শতাংশ।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জেআরপিতে ৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি থাকলেও পাওয়া যায় ৩১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ২০১৮ সালে প্রতিশ্রুত ১০০ কোটি ডলারের বিপরীতে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ২০১৯ সালে ৯২ কোটি ডলারের বিপরীতে ৬৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে প্রতিশ্রুতির চেয়ে যথাক্রমে ৬০, ৭৩ ও ৬৩ শতাংশ সহায়তা পাওয়া গেছে।
তবে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের সফরের সময় রোহিঙ্গাদের অবস্থার উন্নতি এবং বাজেট সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন।
রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা, বাসস্থান, পানি এবং নিরাপত্তা সেবা দেয়ার জন্য আরও সহায়তার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।







