রামুতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে পিটিয়েছেন ইউপি সদস্য। হামলার শিকার সার্জেন্ট (অবঃ) এসএম নাছির উদ্দিন রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শ্রীকুল গ্রামের মৃত আমির হামজার ছেলে। শুক্রবার, ২৯ জুলাই সকাল আটটার দিকে রামু থানার পাশর্^বর্তী তেমুহনী স্টেশনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য ছালামত উল্লাহকে অভিযুক্ত করে রামু থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন হামলার শিকার নাছির উদ্দিন। ছালামত উল্লাহ রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের জুলেখারপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে- সেনা সদস্য হিসেবে অবসরগ্রহনের পর থেকে নাছির উদ্দিন তেমুহনী স্টেশনে একটি এলপি গ্যাসের দোকান পরিচালনা করে আসছেন। শুক্রবার সকালে দোকান খোলার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার মাথায় লোহার রড দিয়ে হামলা চালান ইউপি সদস্য ছালামত উল্লাহ।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে- লোহার রড দিয়ে হামলার সময় নাছির উদ্দিন তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এসময় লোহার রড এর আঘাতে বাম হাতের বাহুর নিচে হাঁড় ভেঙ্গে যায়। এছাড়াও তাকে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আহত নাছির উদ্দিনকে মূমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রামু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুরুতর জখম হওয়ায় রামু সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানে রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে এক্স-রে ও জখমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নাছির আরো জানান- ছালামত উল্লাহ ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বেপরোয়া হয়ে উঠে এবং তাকে বিভিন্নসময়ে হুমকী-ধমকি ও ব্যবসা করতে দিবে না মর্মে হাকাবকা করে আসছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযোগের তদন্তকারি কর্মকর্তা রামু থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আবুল কাওছার জানান- লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। ওসি নিজেই বিষয়টি তদারক করছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হামলার বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ছালামত উল্লাহ জানান- এটা লম্বা ঘটনা। মোবাইলে বলা সম্ভব না। এরচেয়ে বেশী কিছু বলতে তিনি অপারগতা জানান।







