বান্দরবানের লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভা মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি জামায়াত চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করতে ন্যাক্কারজনকভাবে মিথ্যা ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। পৌর মেয়র বলেন, সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে ও সংঘাত থামাতে আমরা জানবাজী রেখে লড়াই করছি, অথচ বিএনপি নেতা সম্পূর্ণ বিপরীত বক্তব্য দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করে চলেছেন। গত ১৪ অক্টোবর লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরে হামলার ঘটনায় লামা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের জড়িয়ে আরটিভি’র টকশোতে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ইমরান ছালেহ প্রিন্স কর্তৃক মিথ্যা, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
লামা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আজ শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জহিরুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় বসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতার মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমুলক বক্তব্যই প্রমান করে বিএনপি দেশকে অস্থতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার হীনচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ১৪ অক্টোবর তৌহিদী জনতার ব্যানারে লামায় আয়োজিত মানববন্ধন শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হওয়ার পর বিএনপি, জামায়াত ও শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা আয়োজক কমিটিসহ আমাদের সকলের নিষেধ উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল থেকে লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দির ও পুলিশের উপর হামলার করে। হামলায় লামা থানা ওসি মোঃ মিজানুর রহমান আহত হলে একপর্যায়ে পুলিশ পিছু হটে যায়। লামা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাসহ আমরা বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করি। তিনি বলেন সেদিন যদি জীবনবাজি রেখে বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত না করতাম তা হলে আরো বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতো। অথচ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা নির্লজ্জভাবে মিথ্যা ও কাল্পনিক বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার হীন চেষ্টা চালিয়েছে। তিনি বিএনপি এ নেতার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা জামাল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বাথোয়াইচিং মার্মা , লামা কেন্দ্রীয় হরি মন্দির কমিটির সভাপতি প্রশান্ত ভট্টাচার্য, সাধারন সম্পাদক প্রদীপ কান্তি দাশ বক্তব্য রাখেন। মন্দির কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক বলেন, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম জীবনবাজি রেখে বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করেছিলেন। তিনি ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে বিক্ষোভকারীদের হামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ইমরান ছালেহ প্রিন্স এর মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমুলক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বান্দরবান জেল আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ¦ শেখ মাহাবুর রহমান এবং মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী ফাতেমা পারুল, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ রফিক, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জাহেদ উদ্দিন ও ছাত্রলীগের সভাপতি মংক্যহ্লা মার্মা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন, পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ সুমন, সরকারি মাতামুহুরী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাহিদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।







