বহুল আলোচনা সমালোচনা শেষে কক্সবাজারের পেকুয়ায় বারবাকিয়া রেঞ্জের সংরক্ষিত বনবিভাগের চার লাখ আট হাজার ঘনফুট বালু কোর্টের আদেশ ফের পুনঃবহালের পর সফল অভিযানের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দফায় প্রাণ প্রকৃতির সাথে বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত (০১ জুন) শনিবার চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বনসংরক্ষক (এসিএফ) দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বারবাকিয়া রেঞ্জ অফিসার, বিট কর্মকর্তা ও সুফল প্রকল্পের সদস্যের নিয়ে সকাল আটটা থেকে রাত সাতটা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় কোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পেকুয়া থানা পুলিশের এস,আই ইস্রাফিল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে তিঁনি, বন ও পরিবেশ রক্ষায় সর্বসাধরণের সহোযোগিতা কামনা করে, বন ও বালু খেকোদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার অভিমত ব্যক্ত করেন।
বনবিভাগ ও রেঞ্জ সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের আওতায় টৈটং বনবিটের গহীন অরণ্যে মধুখালি এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমিতে একদল পাহাড় খেকোরা গোপনে পাহাড় ভেঙে তিন চার বছর ধরে বালু মজুত করেছিলো। অবৈধ বালু গুলো বারবাকিয়া রেঞ্জ জব্দ করে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে। পরিবেশ ধ্বংসকারী বালুখেকোদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা দেখে বারবাকিয়া রেঞ্জ আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত জব্দ করা বালুর এপাশ ওপাশ ও বালুর অবস্থান খতিয়ে দেখতে দ্বিতীয় দফায় সহকারী কমিশনার ভূমি পেকুয়াকে নির্দেশ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (২৭ মে) চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেড আদালত দ্বিতীয় দফায় বারবাকিয়া রেঞ্জ কে বালুগুলি বিশ কর্মদিবসের মধ্যে পাহাড়ের নিচু জায়গায় মিশিয়ে দিয়ে তার ওপর বৃক্ষরোপণ করে ভিডিও চিত্র ধারন করে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এদিকে কোর্টের এই আদেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পেকুয়া শাখার সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম জানান প্রাণ প্রকৃতি সৌন্দর্য রক্ষায় এ রায় কে সাধুবাদ জানায়। সচেতন মহলের মাঝে আনন্দের ঝড় তৈরী হয়েছে।
চকো/জে







